ওমানি কো-পাইল্টের হামলায় মাথার খুলি ভেঙেছিল ভারতীয় ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছরের (smit machchhar)। শরীরের অবস্থা ছিল গুরুতর। তারপরেও হাল ছাড়েননি তিনি। তাঁর দৌলতেই প্রাণে বাঁচেন ১৭০ জনের বেশি যাত্রী। ককপিটে থাকা 'ক্র্যাশ অ্যাক্স' দিয়ে স্মিতের মাথায় আঘাত করেছিলেন হামলাকারী কো-পাইলট। তাতে তাঁর মাথার খুলিতে গুরুতর চোট লাগে। মাথার খুলিতে ঢুকে যায় হাড়ের টুকরো। সৌদিতে জরুরি অস্ত্রোপচার হয় তাঁর।
আরও পড়ুন: বাড়িতে একা পেয়ে নাবালিকাকে ধর্ষণ! গ্রেফতার ১
কেমন আছে স্মিত?
হামলার সময় স্মিতের মাথার খুলির একাংশ ভেঙে বিপজ্জনকভাবে মস্তিষ্কের ভিতরে ঢুকে গিয়েছিল। আমিরশাহীতে নিয়ে যাওয়ার আগেই সৌদি আরবে তড়িঘড়ি অস্ত্রপচারে মাথার খুলি পুনর্গঠন করেন চিকিৎসকরা। এরপরেও ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন স্মিত (smit machchhar)। এখনও পরীক্ষানিরীক্ষা চলছে। এছাড়াও ভারতীয় পাইলটের হাত-পা, বুক এবং পেটের উপরের অংশে আঘাত লেগেছে বলে। যদিও তাঁর শরীর ইতিবাচক সাড়া দিচ্ছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য গত সপ্তাহেই তাঁকে বিমানে সৌদি আরব থেকে আরব আমিরশাহীতে আনা হয়। চিকিৎসকদের অনুমতিতে পরিবারের সদস্যরাও দেখা করছেন স্মিতের সঙ্গে। নিয়মিত হেল্থ বুলেটিনে ভারতীয় পাইলটের স্বাস্থ্যের খবর দিচ্ছে আমিরশাহীর সেনা হাসপাতাল।
গত সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলার সময় ভয়াবহ সেই মুহূর্তের কথা জানিয়েছিলেন স্মিত। জানিয়েছিলেন, তিনি নিজের জীবনের জন্য লড়ছিলেন ঠিকই, কিন্তু একইসঙ্গে জানতেন যে বিমানের অন্য যাত্রীদের মরতে দিতে পারেন না।
আরও পড়ুন: মাত্র ২৪ ঘণ্টাতেই ইতি! অনুপম খের ও মধুমালতীর বিয়ে ভাঙার কারণ ফাঁস করলেন ভাই রাজু
১৭০ জনের বেশি যাত্রী ও ক্রু নিয়ে মাঝ আকাশে বিমানটি যখন প্রায় ১৮ হাজার ফুট নীচে নেমে যাচ্ছিল তখন নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়েই স্মিত মচ্ছর শেষ শক্তিটুকু দিয়ে ককপিটের দরজা খুলে দেন তিনি। তাঁর সেই চেষ্টাতেই ভিতরে ঢুকতে পারেন যাত্রী ও ক্রু সদস্যরা। শেষ পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণে আনা হয় কো-পাইলটকে, প্রাণে বাঁচেন শতাধিক মানুষ।















