ভোট চুরির অভিযোগে মুখ্য নির্বাচন কমিশনের জ্ঞানেশ কুমারের (Gyanesh Kumar)পদত্যাগের দাবিতে রাজধানীতে পথে নেমে প্রতিবাদ ইন্ডিয়া (I.N.D.I.A) ব্লকের সাংসদদের। পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি মতোই মঙ্গলবার সকাল সাড়ে দশটার মধ্যে সংসদ ভবনের মকরদ্বারের সামনে বিরোধী সাংসদরা উপস্থিত হয়ে নির্বাচন কমিশনের দিকে রওনা দেন। দেড়শর বেশি সাংসদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। কংগ্রেসের তরফের রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, মল্লিকার্জুন খাড়গে, সমাজবাদী পার্টির তরফে অখিলেশ যাদব, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee), মহুয়া মৈত্র, ডেরেক ও ব্রায়েনদের দেখা যায়।

সংসদ ভবন থেকে হেঁটে সদনের ১০০ মিটারের কাছাকাছি পৌঁছতেই আকাশবাণী ভবনের সামনে পুলিশ ব্যারিকেড করে মিছিল আটকে দেয়। সেখানেই বসে জ্ঞানেশের বিরুদ্ধে 'চোর' স্লোগান দিয়ে বিক্ষোভ বিরোধী সাংসদদের।

এদিন সকাল থেকেই দিল্লিতে সংসদ ভবন থেকে নির্বাচন সদন দফতর পর্যন্ত পুলিশে পুলিশে ছয়লাপ। বিরোধীদের আটকাতে একের পর এক ব্যারিকেড, বাস এবং ওয়াটার ক্যানন আনা হয়েছে। এদিন মিছিলে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার সারা দেশের মানুষের ক্ষোভ অসন্তোষ বেড়েই চলেছে। যেভাবে গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নিয়ে জ্ঞানেশ কুমারকে ব্যবহার করেছে এই সরকার তা কোন ভাবেই মানা যায় না। আগে মানুষ ভাবতো যাই হয়ে যাক না কেন যদি সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ করার হয় তাহলে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার বদলে দেয়া যাবে। কিন্তু বিজেপির জনগণকে নিয়ে মাথাব্যথা নেই কারণ তারা কমিশনের মাথায় জ্ঞানেশ কুমারকে বসিয়ে রেখে একের পর এক নির্বাচনে অন্যায় ভাবে জিতছে। সেই কারণে মূল্যবৃদ্ধি হোক বা বেকারত্ব বাড়ুক, দেশের সমস্যা নিয়ে বিজেপির কোনও চিন্তা নেই। এরপরই কেন্দ্রের শাসক দলকে নিশানা করে ডায়মন্ড হারবারে সাংসদ বলেন, 'এর আগে রামের নাম ব্যবহার করে রাম মন্দির রাজনীতি করতে গিয়ে নির্বাচনে হেরেছে। এবার জ্ঞানেশের মধ্যে গণেশ খুঁজলে ভরাডুবি নিশ্চিত।'