বেশিরভাগ জায়গায় উপনির্বাচনে সংখ্যালঘুদের ভোট দিতে না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই প্রসঙ্গে মঙ্গলবার তৃণমূল বিধায়ক তথা দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh) বলেন, বিপুল জায়গা থেকে অভিযোগ এসেছে বিশেষত সংখ্যালঘুদের ভোটকেন্দ্রে যেতেই দেওয়া হয়নি।
আরও পড়ুন: মণ্ডপে অঞ্জলি দিতে পারবেন? নিউটাউনের CC ব্লকের দুর্গাপুজো জটিলতায় অভিনব নির্দেশ হাই কোর্টের
বিধায়কের কথায়,"ভোট অন্যলোক করেছে। কিছু দালাল সাহায্য করেছে। বাকি পুলিশ কিছু লোককে তুলিয়ে এনে সেখানে ছাপ্পা ভোট করা হয়েছে। কারণ, বিজেপিকে এখন দেখাতে হবে সংখ্যালঘু ভোটও তারা পায়। তাই প্রকৃত ভোটারদের পথেই আটকে দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ আসছে। প্রমাণ আসছে। ভিডিও আছে। প্রবল আতঙ্ক তৈরি করা হয়েছে। হিন্দু মানেই বিজেপিকে ভোট এমনটা হয়নি। বিজেপির অপশাসনের বিরুদ্ধে অনেকেই ভোট দিচ্ছিলেন কিন্তু তাদের ভোটকেন্দ্র অব্দি যেতেই দেওয়া হয়নি। জাল, ছাপ্পা করে ভোটের নামে প্রহসন হচ্ছে।"
আরও পড়ুন: বিজেপির ভোট লুঠের ধারা উপনির্বাচনেও অব্যাহত! কটাক্ষ কুণালের
পুনর্নির্বাচন নিয়ে কুণাল বলেন,"নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগর এই দুটি কেন্দ্রে যদি এই মেশিনারি দিয়ে ভোট করায় আবার করলে একই জিনিস করবে। ফলে একটা সময় আসছে যারা সত্যিই বিজেপি বিরোধী, গণতান্ত্রিক, ধর্মনিরপেক্ষ এবং প্রগতিশীল তাদের একযোগে এই বুথ রক্ষা, গণতন্ত্র, মানুষের অধিকার রক্ষা আমাদের সকলকে ভেবে দেখতে হবে। আমরা ধরুন পুনর্নির্বাচন চাইলাম। কংগ্রেস চেয়ে থাকলে আমরা বিরোধিতা করছি না। কিন্তু এই মেশিনারিকে একইভাবে ব্যবহার করেই তো পুনর্নির্বাচন হবে। বিরোধীদের কাজ করতে দেবে না, পুলিশ দিয়ে মাঝরাত থেকে বুথ দখল করে রেখে দেবে। বুথে বহিরাগত ঢুকিয়ে ছাপ্পা ভোট করাবে। দিল্লিতে জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বে যে সিস্টেম চলছে এটা শিকড় থেকে উপরে ফেলতে না পরলে মানুষের অধিকারকে এরা খর্ব করে দেবে। মানুষ নিজেরা মতামত জানাতে পারবে না। মেশিনে পরিণত হয়েছে নির্বাচন কমিশন, বিজেপি এই মেশিন ব্যবহার করছে। এই মেশিনের বাহক পুলিশ।"















