সাধারণ মানুষের করের টাকা দিয়ে পুজো কমিটিগুলিকে আর্থিক অনুদান (Durga Pujo Donation) দেওয়া হয়েছে। এই অভিযোগ তুলে কলকাতা হাই কোর্টে (Calcutta High Court) দায়ের হল জনস্বার্থ মামলা (PIL File)। এই মামলার দ্রুত শুনানির আর্জি জানানো হলেও শুক্রবার শুনানিতে রাজি হয়নি প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। আদালতের তরফে জানান হয়েছে, দুর্গাপুজোর (Durga Pujo) ছুটি শেষ হওয়ার পর মামলাটির শুনানি হবে।

আরও পড়ুন: কেন বাড়িতে হামলায় 'হিন্দুত্ববাদী'দের নিশানা! বিকাশের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রীর

মামলাকারীর তরফে অভিযোগে বলা হয়েছে, রাজ্যে নতুন সরকার আসার পরেও সাধারণ মানুষের করের টাকা এ ভাবে অনুদান হিসেবে বিলি করা হচ্ছে। পাশাপাশি, এই সংক্রান্ত বিষয়ে আদালতের আগের নির্দেশ যথাযথভাবে মানা হয়নি বলেও দাবি করেছেন তিনি। তা সত্ত্বেও অনুদান দেওয়ার প্রক্রিয়া চালু রয়েছে। এই অভিযোগগুলির ভিত্তিতেই মামলাটির দ্রুত শুনানির আর্জি জানানো হয়। তবে শুক্রবার মামলাকারীর আবেদন শুনে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, পুজোর ছুটির পরেই এই মামলার শুনানি হবে। ফলে সরকারি অনুদান নিয়ে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে আদালত কী অবস্থান নেয়, তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে। পুজোর অনুদান নিয়ে আদালতে মামলা অবশ্য নতুন নয়। আগের সরকারের আমলেও এই বিষয়ে একাধিকবার জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছিল। এ বার সরকার পরিবর্তনের পরেও অনুদান নিয়ে বদল হল না চিত্র।

উল্লেখ্য, এ বছর রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর প্রথম দুর্গাপুজো। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকার পুজো কমিটিগুলিকে (Pujo Committee) এক লক্ষ টাকা করে অনুদান দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে। সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী, ছোট ও স্বল্প বাজেটের পুজো কমিটিগুলির জন্য এই আর্থিক সাহায্যের কথা বলা হয়েছে। বড় বাজেটের পুজো কমিটিগুলিকে অনুদান না নেওয়ার অনুরোধও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি, রাজ্যের পুজো কমিটিগুলিকে বিদ্যুতের খরচ দিতে হবে না বলেও আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। এই আবহে এ বার নতুন সরকারের আমলেও অনুদান নিয়ে শুরু হল আইনি বিতর্ক।