সিজেপির দিল্লি চলো প্রতিবাদ কর্মসূচির সকাল থেকে ব্যাপক ধরপাকড় রাজধানীতে। বিমানবন্দরে পা রাখার আগে প্লেন থেকেই আটক করা হয়েছে পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে-সহ দুই কো কনভেনার সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে। কিন্তু আটক করে নিয়ে যাবা হলো কোথায়, এখনও পর্যন্ত কিছুই স্পষ্ট নয়। এমনকি বিমানবন্দরের যে গেট দিয়ে সিজেপি নেতাদের নিয়ে যাওয়া হয় সেখানে মিডিয়াকে পর্যন্ত ঢুকতে দেওয়া হয়নি।আটকের কিছুক্ষণের মধ্যেই রানওয়েতে অপেক্ষারত ও একটি বাসে ককরোচ নেতাদের তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। আটক হওয়ার মুহূর্তেই পুলিশের বিরুদ্ধে গর্জে ওঠেন অভিজিৎ। সোশ্যাল মিডিয়া লাইভে ক্ষমতাসীন সরকারকে 'স্বৈরাচারী' বলে তোপ দাগেন। সিজেপির পাশে দাঁড়িয়েছেন আম আদমি পার্টি নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়াল। 

আরও পড়ুন: জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লিতে বামেদের মিছিল! M.A. বেবি-সহ আটক একাধিক শীর্ষ নেতা

শনিবার সকাল ১১ টা নাগাদ দিল্লি বিমানবন্দরে অভিজিতের ফ্লাইট পৌঁছতেই একেবারে প্লেনের ভেতরে চলে আসেন পুলিশ আধিকারিকরা। মহিলা পুলিশদের এগিয়ে দেওয়া হয়।অভিজিৎ দিপকে। লাইভের মধ্যে অভিজিৎ বলেন "আমরা বিমান থেকে বের হওয়া পর্যন্ত তো আপনারা অপেক্ষা করতে পারতেন! সরাসরি ফ্লাইটে ঢুকে এভাবে আটক করছেন কেন? আমাদের গ্রেফতার করতে হলে করুন, ইউএপিএ (UAPA) বা এনএসএ (NSA) দিন - আমরা কাউকে ভয় পাই না!"

সিজেপি নেতাদের আটক হওয়ার ঘটনার তীব্র নিন্দা করে কেজরিওয়াল বলেন, নজিরবিহীন ভয়ের পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে।এটা জরুরি অবস্থার থেকেও খারাপ সময়। আমরা মোদীর শাসনে এক সম্পূর্ণ স্বৈরতন্ত্রের মধ্যে বাস করছি। জ্ঞানেশ কুমারের পাশাপাশি নরেন্দ্র মোদিরও সরে যাওয়ার সময় এসেছে। 

ইতিমধ্যেই দিল্লিমুখী একাধিক রাজনৈতিক অরাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী সমর্থকদের আটক করা হচ্ছে বলে খবর মিলেছে। বাম নেতা এম এ বেবি, বৃন্দা কারাট থেকে শুরু করে দিল্লির প্রতিবাদে সামিল হতে গিয়ে আটক হয়েছেন বাংলার সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী, মানিক সরকার, রামচন্দ্র ডোম-সহ একাধিক নেতারা। এসবের মাঝেই পুলিশি চোখরাঙানি উপেক্ষা করে যন্তর মন্তরে বাড়ছে ভিড়।