দুবাই থেকে তেল আভিভগামী ফ্লাইদুবাইয়ের বিমান আকাশে ওড়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই বদলে যায় গতিপথ, ককপিটে আক্রান্ত হন ভারতীয় পাইলট। কোনওমতে সৌদিতে জরুরি অবতরণ হলেও যেভাবে জঙ্গি হামলার মতো বড় ঘটনা ঘটতে বসেছিল তাতে আতঙ্কিত যাত্রীরা। এবার বিমান সংস্থা ফ্লাই দুবাই (Fly Dubai) এবং ইজরায়েল ও আরব আমিরশাহী, দুই দেশেরই পরিবহন মন্ত্রকের বিরুদ্ধে মামলা করার পথে হাঁটতে চলেছেন সফররত সিংহভাগ যাত্রী! খবর সূত্রের। বড় সমস্যার মুখে বিমান সংস্থা।
ভারতীয় পাইলট স্মিত মচ্ছরের সাহসিকতা ও দূরদর্শিতা প্রাণ বাঁচিয়েছে অন্তত ১৮০ জনের। নিশ্চিত হাইজ্যাক হতে চলা বিমানকে জঙ্গি হামলার হাত থেকে বাঁচাতে রক্তাক্ত হয়েছেন তিনি। যাত্রীরা যেমন পাইলটের প্রশংসা করেছেন ঠিক তেমনই ফ্লাইটের নিরাপত্তা নিয়ে বিমান সংস্থার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। ওমানি পাইলট হামাম আল-হামামি সশস্ত্র অবস্থায় হামলা করেছিল। লক্ষ্য ছিল নাশকতা বা হাইজ্যাকের। যেভাবে বিমান এক লাফে কয়েক ফুট নীচে নেমে এসেছিল তাতে যে কোনও মুহূর্তে বড় দুর্ঘটনা ঘটা অস্বাভাবিক ছিল না। এবার ওই ঘটনায় কয়েক মিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ চেয়ে মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন সংশ্লিষ্ট ফ্লাইটের যাত্রীরা। ১৭৪ জন যাত্রীর মধ্যে অন্তত ১০০ জন আইনি প্রক্রিয়ায় পথে হাঁটতে চলেছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন যখন 'জঙ্গি' কো-পাইলট স্মিতের উপর হামলা চালায় তখন যাত্রীদের মধ্যে কয়েকজন ককপিটে দৌড়ে গিয়ে তাঁকে আটকানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু এরপর বিমানকর্মীরা বারবার অভিযুক্ত ওমানি পাইলটকে ছেড়ে দেওয়ার কথা বলেন। কেন? তাহলে কি সর্ষের মধ্যে ভূত? বিমান কর্মীদের বিরুদ্ধে আনা বিস্ফোরক অভিযোগ ঘিরে ফ্লাই দুবাই কর্তৃপক্ষ এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া দেয়নি। এবার শুধু উড়ান সংস্থা নয়, ইজরায়েল ও আরব আমিরশাহী— উভয় দেশের পরিবহন মন্ত্রকের বিরুদ্ধে মামলা করার পরিকল্পনা করেছেন যাত্রীদের একটা বড় অংশ। কয়েক মিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ চাওয়া হতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে।















