হুমকি ও তোলাবাজি মামলায় সিআইডি (CID)তদন্তের মুখোমুখি হতে মঙ্গলবারই ভবনে হাজিরা দিলেন তৃণমূল সাংসদ কীর্তি আজাদ (Kirti Azad)। তোলাবাজি মামলায় অভিযুক্ত প্রাক্তন ক্রিকেটার তথা সাংসদ দুপুর ১২ টা নাগাদ সিআইডি দফতরে ঢোকার মুখে স্পষ্ট জানান, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাঁকে হেনস্থা করার চেষ্টা হচ্ছে। তদন্তের সম্পূর্ণ সহযোগিতা করবেন বলে জানিয়েছেন কীর্তি।
তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ ও প্রাক্তন ক্রিকেটার কীর্তির বিরুদ্ধে ঠিক কী অভিযোগ রয়েছে? এক ব্যবসায়ী দাবি করেন ২০২৫ সালের মে মাসে তাঁকে দুর্গাপুরে আজাদের বাংলোতে ডেকে সাংসদের এক সহযোগী ১৫ লক্ষ টাকা চেয়েছিলেন। শুধু তাই নয় টাকা না দিলে রানিগঞ্জের রান্নার গ্যাসের ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়। এই ঘটনার প্রায় ১৫ মাস পর এফআইআর দায়ের করা হয়। মামলা আদালতে গড়াতেই কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি কৌশিক চন্দ (Justice Kaushik Chanda) তদন্তকারীদের জমা করা অডিও ক্লিপ শুনে প্রাথমিকভাবে জানান অভিযোগের স্বপক্ষে কোনও জোরালো ভিত্তি নেই। এরপরই সাংসদকে ছমাসে রক্ষাকবচ দেওয়া হয়। তবে স্পষ্ট ভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল যে আইডি তদন্তে প্রাক্তন ক্রিকেটারকে সবসময় সহায়তা করতে হবে।
ইতি জানান ঘটনার দিন তিনি দুর্গাপুরেই ছিলেন না। বিমানে যাতায়াতের নথিপত্র আদালতে পেশ করেছেন। বিচারপতি সিআইডিকে নির্দেশ দেয় যে জিজ্ঞাসাবাদ এর প্রয়োজনে কিট থেকে ডাকতে হলে অন্তত সাত দিন বা নির্দিষ্ট সময়ের আগে নোটিশ দিতে হবে। এরপরই আজ মঙ্গলবার ভবানী ভবনে হাজিরা দিয়েছেন তৃণমূল সাংসদ। ইতিমধ্যেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা শুরু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
















