দেশ জুড়ে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি(UCC) চালু করতে চাইছে কেন্দ্রীয় সরকার। আগামী ২০২৯ সালে লোকসভা ভোটের আগে UCC চালু করায় লক্ষ্য নরেন্দ্র মোদি সরকারের। তবে এই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কেন্দ্রীয়ভাবে চালু না করে রাজ্যভিত্তিক চালু করাই লক্ষ্য বিজেপির।
সদ্য বাংলায় ক্ষমতা এসেছে বিজেপি। ক্ষমতায় আসার পরে এ রাজ্যে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু করার বিষয়ে একাধিকবার মন্তব্য করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বিজেপি শাসিত রাজ্য গুলিতে কবে অভিন্ন দিওয়ানি বিধি চালু হবে সেই নিয়ে বড় ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। নরেন্দ্র মোদির জন্মদিন উপলক্ষে মুম্বাইয়ের সেবা সংকল্প অভিযানের সামিল হয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে টানা ৩০ দিন সেবা সংকল্প অভিযান পালিত হবে।
কিন্তু এরই মধ্যে অমিত শাহ জানিয়েছেন, আগামী ২০২৯ সালের লোকসভা ভোটের আগেই বিজেপি শাসিত ২১ টি রাজ্যে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি হবে অর্থাৎ এই তালিকায় থাকছে বাংলা। বর্তমানে দেশে ১৯ টি রাজ্য এবং দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ক্ষমতায় আছে বিজেপি,। এর মধ্যে উত্তরাখণ্ডে প্রথম অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকর হয় এরপর গুজরাটেও চালু হয়েছে এই নীতি। অসমে পাশ হয়ে গিয়েছে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি। মধ্যপ্রদেশে ইউসিসি নিয়ে তৈরি করার জন্য কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিজেপির এর পরের লক্ষ্য কি বাংলা!
ইউসিসি চালু হলে রাজ্যগুলিতে ভিন্ন নিয়ম থাকবে না। সকল ধর্ম সম্প্রদায়ের জন্য একই আইন হবে, বিয়ে থেকে বিবাহ বিচ্ছেদ, সম্পত্তির উত্তররাধিকার সকলের জন্যই একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে। যদিও আদিবাসীদের এই নিয়ম থেকে সংরক্ষিত রাখা হয়েছে।
নরেন্দ্র মোদির জন্মদিন উপলক্ষে সেবা সংকল্প অভিযান চালু করেছে বিজেপি। অমিত শাহ বলেন, দেশের খুব কম নেতাই আছেন যিনি ২৫ বছর জনসেবা করার সুযোগ পেয়েছেব। মুখ্যমন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রী হিসাবে এমন সাফল্য খুব কম জনের আছে। তাই দেশজুডে এই প্রচার অভিযান করা হবে। পাশাপাশি বিজেপির সাফল্যের খতিয়ান ও তুলে ধরেন। অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণ থেকে কাশ্মীর ৩৭০ ধারা প্রত্যাহার, তিন তালাক প্রত্যাহার প্রভৃতি বিষয়গুলি তুলে ধরেন অমিত শাহ। তবে আসন্ন ২০২৯ সালে লোকসভা ভোটের আগে বিজেপির বড় হাতিয়ার যে ইউসিসি তা কিন্তু ফের একবার প্রমাণিত হল শাহের মন্তব্যে।











