জাতীয় পতাকা (National Flag) হাতে নিয়ে প্রতিবাদ করলেই কি গ্রেফতার হতে হবে! দিল্লির যন্তর-মন্তরে (Jantar Mantar) ককরোচ জনতা পার্টির (CJP) দুই নেতা সৌরভ দাস (Saurav Das) ও আশুতোষ রাঙ্কাকে (Ashutosh Ranka) পাঁচ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রশ্ন তুলেই কেন্দ্রকে নিশানা করলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। তাঁর অভিযোগ, নিজেদের জাতীয়তাবাদের সবচেয়ে বড় প্রবক্তা বলে দাবি করা বিজেপির (BJP) আমলেই দেশের মাটিতে তেরঙ্গা হাতে প্রতিবাদ জানানোয় গ্রেফতার হতে হচ্ছে ভারতীয়দের। এই পরিস্থিতিকে ‘পাকিস্তানীকৃত ভারত’ (Pakistanified Bharat) বলে কটাক্ষ করেছেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ।
আরও পড়ুন: মোদির অনুষ্ঠান, আইপিএল নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক স্থগিত বিসিসিআইয়ের
The so called biggest nationalists are now arresting Indians for unfurling and waving the Tricolour in their own country, an act which, according to the Union Government constitutes a breach of peace. Welcome to the @BJP4India’s new Pakistanified Bharat.
— Abhishek Banerjee (@abhishekaitc) October 14, 2026
দিল্লির রাজনীতিতে নতুন করে উত্তাপ ছড়িয়েছে যন্তর-মন্তরের এই ঘটনাকে ঘিরে। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে তালাবন্ধ গেট টপকে ভিতরে ঢোকার অভিযোগ উঠেছে সিজেপির দুই নেতার বিরুদ্ধে। তার পরেই তাঁদের গ্রেফতারি এবং আদালতের পাঁচ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতের নির্দেশ। এই পদক্ষেপ ঘিরে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন বিরোধী নেতারা।
আরও পড়ুন: বেঙ্গল সাফারিতে একের পর এক বন্যপ্রাণীর মৃত্যু! নীরব পার্ক কর্তৃপক্ষ
সমাজমাধ্যমে সরব হয়ে অভিষেক লেখেন, যাঁরা বারবার জাতীয়তাবাদের কথা বলেন, তাঁরাই এখন দেশের নাগরিকদের হাতে তেরঙ্গা নিয়ে প্রতিবাদ জানানোর জন্য গ্রেফতার করছেন। শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদকেও আইনশৃঙ্খলার সমস্যা হিসেবে দেখানো হচ্ছে। কেন্দ্রের এই অবস্থানকে কটাক্ষ করেই ‘পাকিস্তানীকৃত ভারত’ মন্তব্য করেছেন তৃণমূল সাংসদ।
অভিষেকের সুরেই কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে আক্রমণ করে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, কমিশনের প্রধান বাইরে থাকলেও সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কার মতো ছাত্রনেতাদের কেন পাঁচ দিনের হেফাজতে থাকতে হচ্ছে? এই প্রসঙ্গে তাঁর মন্তব্য, “সব মনে থাকবে।” দুই নেতার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশের পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন মহুয়া।















