কেন মহিলাদের ভোট কাটছেন: তৃণমূল প্রতিনিধিদলের প্রশ্ন শুনে মেজাজ হারালেন জ্ঞানেশ!

বাংলা-বিরোধী, নারী বিরোধী বিজেপি পরিচালিত নির্বাচন কমিশনের মুখোশ খুলে গেল কমিশনের সঙ্গে বাংলার শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে বৈঠকে। চার মাসের এসআইআর প্রক্রিয়ায় বাংলার ভোটার তালিকায় রোহিঙ্গা প্রমাণের চেষ্টায় আদতে কমিশন যে বাংলার মহিলাদের ভোটাধিকার ছিনিয়ে নিতে চাইছে, তা প্রমাণ করে দিতেই বৈঠকে মেজাজ হারালেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার (CEC, Gyanesh Kumar)। সেই সঙ্গে রাজ্যের মানুষের ভোটাধিকার (voting right) নিশ্চিত করাই যে তৃণমূলের লক্ষ্য, ভোট ঘোষণা বা দফা (election phase) ঘোষণার আগে তা-ই কমিশনের বৈঠকে স্পষ্ট করে দিলেন তৃণমূল প্রতিনিধিরা।
Sponsored

বিধানসভা নির্বাচনের (assembly election) আগে বঙ্গ বিজেপির নেতারা কোনও ইস্যু না পেয়ে বাংলার ভোটার তালিকায় বাংলাদেশি, রোহিঙ্গা ভোটার মুছে ফেলার দাবি তুলেছিলেন। কিন্তু নির্বাচন কমিশন কোনও রোহিঙ্গা ভোটার খুঁজে পায়নি বাংলার ভোটার তালিকায়। তা সত্ত্বেও প্রথম দফায় ৬৩ লক্ষ ও পরে ৬০ লক্ষ ন্যায্য ভোটারের (valid voter) নাম বাদের চক্রান্ত চালিয়েছে। সোমবার কমিশনের বৈঠকে যোগ দিয়ে সেই প্রশ্নই তোলেন তৃণমূলের তিন প্রতিনিধি ফিরহাদ হাকিম, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য ও রাজীব কুমার।
প্রশ্ন তোলা হয়, কমিশন যে রোহিঙ্গা ভোটার মোছার দাবি জানিয়েছিল, সেই রোহিঙ্গারা কোথায়? তাতে নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের (CEC, Gyanesh Kumar) নীরবতা আবারও স্পষ্ট করে দিয়েছে, যে এই দাবি নিতান্তই বিজেপির জন্য ভোটের আগে ন্যারেটিভ তৈরি করে দেওয়ার জন্য তোলা হয়েছিল। বৈঠক শেষে তা স্পষ্ট করে দেন ফিরহাদ হাকিম।
সেই সঙ্গে পূর্ণাঙ্গ তালিকায় পুরুষ ও মহিলা ভোটারের আনুপাতিক হারের যে হিসাব দেখানো হয়েছে, তাতে ২০২৪ সালের আনুপাতিক হারের সঙ্গে ব্যাপক পার্থক্য। তা তুলে ধরেন তৃণমূলের প্রতিনিধিরা। সেখানেই দেখা গিয়েছে মহিলা ভোটারের হার কীভাবে কমেছে এই অল্প সময়ে। তা থেকেই প্রমাণিত এসআইআর (SIR) করে কীভাবে বাংলার মহিলাদের ভোটাধিকার কেড়ে নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। সেই প্রশ্ন তোলেন রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য।
আরও পড়ুন : বিজেপির সুরে সুর বামেদের: এক দফায় ভোটের দাবি, ৬০ লক্ষ ভোটার নিয়ে কমিশনে প্রশ্ন
এই প্রশ্নের রেশ ধরেই আসে ম্যাপড তালিকায় থাকার পরেও বাংলার ন্যায্য ভোটারদের নাম লজিকাল ডিসক্রিপেন্সির আওতায় চলে যাওয়ার। কীভাবে ৬০ লক্ষ মানুষকে অ্যাডজুডিকেট করা হল, এই প্রশ্ন শুনেই মেজাজ হারান মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। তিনি দাবি করেন, এই প্রশ্ন নিয়ে তৃণমূল সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছে। স্পষ্ট করে দেন, কমিশনের পদক্ষেপকে চ্যালেঞ্জ করে যে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে, তাতে মোটেও খুশি নয় কমিশন। প্রশ্ন তুলতেই চিরাচরিত মুখবন্ধ করার রীতিতে তৃণমূল প্রতিনিধিদের মেজাজ হারানে দেশের নির্বাচন কমিশনার।
-
-
-
-
Sponsored

Sponsored

Sponsored

Sponsored

Sponsored

Related Articles

আমার নাম কেটেছেন কেন? আখরুজ্জামানকে কুণালের প্রশ্নে ধুন্ধুমার বিধানসভা! টেনে-হিঁচড়ে বের করা হল বেলেঘাটার বিধায়ককে
1h ago

আজ কোথায় কত দাম পেট্রোল-ডিজেলের? দেখে নিন এক নজরে
4h ago

রাস্তা জুড়ে অবৈধ দখলদারি চলবে না, হকারদের সতর্ক করলেন অগ্নিমিত্রা
5h ago

কথা বলতে হলে সরকারকে আসতে হবে যন্তর মন্তরে: CJP
8h ago

পারিবারিক বিবাদের মর্মান্তিক পরিণতি, নিউটাউনে একই পরিবারের মৃত তিন
21h ago

ককরোচদের উপর লাঠিচার্জের প্রতিবাদ করে আটক রাহুল-প্রিয়াঙ্কা-অখিলেশ! মোদির বাসভবনের সামনে উত্তেজনা
21h ago
More from শিরোনাম
View All →
'প্রধানমন্ত্রী সূর্যঘর যোজনা' নিয়ে উপভোক্তাদের সঙ্গে সরাসরি বৈঠক মুখ্যমন্ত্রীর
22h ago

সিকিমে নির্মীয়মাণ টানেলে ধস-গ্যাস বিস্ফোরণ! মৃতের পরিবারকে আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
22h ago

ক্যাথেড্রাল রোডমুখী জনস্রোত, মমতার পথেই জনতা
22h ago

ককরোচদের সঙ্গে অমানবিক আচরণ! জবাব চাইতেই মোদির বাড়ির সামনে বিক্ষোভ রাহুল-প্রিয়াঙ্কাদের
22h ago

শহিদ স্মরণ সভাতেও কংগ্রেসের গোষ্ঠীকোন্দল প্রকাশ্যে! পরিস্থিতি সামাল দিলেন অধীর
23h ago
