দুটি পৃথক ঘটনার বিরুদ্ধে কড়া প্রশাসনিক পদক্ষেপ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Chief Minister Suvendu Adhikari)। একদিকে, কলকাতার একটি ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে পড়ুয়ার কপালের চন্দনের তিলক মুছে দেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত শিক্ষিকাকে সাসপেন্ড (Teacher suspended) করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হয়েছে এফআইআরও (FIR)। অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে সমাজ মাধ্যমে আপত্তিকর পোস্ট করার অভিযোগে বিকাশ ভবনের এক কর্মীকেও সাসপেন্ড করেছে শিক্ষা দফতর।
প্রথম ঘটনাটি সামনে আসে এক খুদে পড়ুয়ার সমাজ মাধ্যমে পোস্ট করা ভিডিও থেকে। সেখানে অভিযোগ করা হয়, চন্দনের তিলক পরে স্কুলে আসার কারণে তাকে তিলক মুছে ফেলতে বলা হয়েছিল। ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসার পর বিষয়টি নিয়ে সরব হন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, কলকাতার হলি মিশন ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের এক শিক্ষিকার বিরুদ্ধে ওই অভিযোগ উঠেছে এবং তাঁর বিরুদ্ধে স্কুল কর্তৃপক্ষ পদক্ষেপ করেছে। সাসপেনশনের পাশাপাশি পুলিশের কাছেও অভিযোগ দায়ের হয়েছে।
এর আগের দিন গোলপার্কের রামকৃষ্ণ মিশনে এক অনুষ্ঠানে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ধর্মীয় বিশ্বাস ও ব্যক্তিগত আচারের প্রসঙ্গ তুলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য ছিল, তিলক পরা বা তুলসী ধারণ এ রাজ্যের বহু মানুষের বিশ্বাস ও ঐতিহ্যের অংশ। সেই বিশ্বাসকে অযথা বাধা দেওয়ার অভিযোগ সামনে এলে প্রশাসন বিষয়টি গুরুত্ব দিয়েই দেখবে শুক্রবারের পদক্ষেপে সেই বার্তাই স্পষ্ট হয়েছে।
একই সাংবাদিক বৈঠকে সরকারি কর্মীদের আচরণবিধি নিয়েও মুখ্যমন্ত্রী কড়া অবস্থান জানান। প্রধানমন্ত্রী বা দেশের সাংবিধানিক পদে থাকা ব্যক্তিদের সম্পর্কে সরকারি দায়িত্বে থেকে অবমাননাকর মন্তব্য করা মেনে নেওয়া হবে না বলে তিনি স্পষ্ট করেন। বিকাশ ভবনের কর্মীর বিরুদ্ধে নেওয়া সাসপেনশনের (Suspension of a Bikash Bhavan employee) সিদ্ধান্ত এবং স্কুলের শিক্ষিকার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ দুই ঘটনাতেই শৃঙ্খলা ও দায়িত্ব পালনের প্রশ্নে সরকারের কঠোর অবস্থান সামনে এসেছে।
















