দুগ্ধ শিল্পে বেশি মুনাফা লাভের উদ্দেশ্যে গরুর ওপর বিভিন্ন ধরনের শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার করা হয়। তা নিয়ে সচেতনতার বার্তা দিতে ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালের দক্ষিণ গেটের সামনে কলেজ পড়ুয়াদের উদ্যোগে প্রদর্শিত হয় পথনাটিকা ‘ডেয়ারিটেল’(DAIRYTALE) । দুগ্ধশিল্পে গরুর উপর হওয়া বিভিন্ন ধরনের অত্যাচার এবং তার নেপথ্যের বাস্তবতা মানুষের সামনে তুলে ধরাই ছিল এই পথনাটিকার মূল উদ্দেশ্য।
একটি গরু ( Cow) সাধারণত সন্তান জন্ম দেওয়ার পরই কেবল দুধ দেয়। তাই দুধের ধারাবাহিক সরবরাহ বজায় রাখতে প্রতি বছর গরুকে জোরপূর্বক গর্ভধারণ করানো হয়। আর এই বিষয়কে সামনে রেখেই মূলত করা হয় এই পথনাটকটি। সেখানে অভিনয়ের মাধ্যমে দেখানো হয়, কীভাবে দুধ উৎপাদন বাড়ানোর জন্য গরুকে বারবার গর্ভধারণে বাধ্য করা হয়। কৃত্রিম উপায়ে গরুকে গর্ভবতী করা থেকে শুরু করে, সদ্যোজাত বাছুরকে মায়ের কাছ থেকে আলাদা করে দেওয়ার মতো বিভিন্ন বিষয়ও তুলে ধরা হয়।
এই পথনাটক প্রসঙ্গে কলেজ পড়ুয়া ( College Student) দেবজ্যোতি দাস বলেন, "যে দুধকে আমরা নিজেদের খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করি, স্বাভাবিকভাবে সেই দুধ মূলত বাছুরের জন্যই তৈরি হয়। কিন্তু বাছুরকে মায়ের কাছ থেকে সরিয়ে দিয়ে সেই দুধ মানুষের ব্যবহারের জন্য নেওয়া হচ্ছে। এই ব্যবস্থার বিভিন্ন দিক নিয়েই দর্শকদের সচেতন করার চেষ্টা করা হয়েছে পথনাটকের মাধ্যমে।" একথায় বলা যায়, কলেজ পড়ুয়াদের অংশগ্রহণে আয়োজিত এই পথনাটিকার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রাণীকল্যাণ এবং দুগ্ধশিল্পের বাস্তব পরিস্থিতি নিয়ে সচেতনতা তৈরির বার্তা দেওয়া হয়।‘কেয়ার অফ খেজুরি’, ওজেডাব্লু, ‘ছায়া হাসপাতাল’ এবং ‘পন্স অ্যান্ড প্ল্যানেট’-এর উদ্যোগে ‘ডেয়ারিটেল’(DAIRYTALE) পথনাটকের আয়োজন করা হয়।
















