সিজেপি প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের (Abhijit Deepke) আর্থিক উৎস নিয়ে প্রশ্ন তুলে তদন্তের দাবি সুরাটের এক আরটিআই কর্মী অমিত তিওয়ারির (Amit Tiwari)। ককরোচ জনতা পার্টির (CJP) তীব্র আন্দোলনের জেরে আজ দেশজুড়ে বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে সড়ক জেন জি (Gen Z)। ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পর এবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে যখন তরুণ প্রজন্মের ক্ষোভ বাড়ছে, ঠিক তখনই সিজেপি (CJP) প্রধানের বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ তুলতে শুরু করেছেন কেন্দ্রের শাসক দলের বিভিন্ন প্রতিনিধিরা। দিন কয়েক আগে অভিজিৎ (Abhijit Deepke) জানিয়েছিলেন তাঁকে বিজেপিতে যোগদানের জন্য বারবার করে চাপ দেওয়া হচ্ছিল, তাঁর বাবা-মাকেও রীতিমত ভয়ের আবহে কাটাতে হয়েছে। এবার ককরোচ প্রতিষ্ঠাতার পড়াশোনা থেকে শুরু করে তাঁর পারিবারিক সম্পত্তি এমনকি সিজেপির আর্থিক তহবিল নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

NEET প্রশ্ন ফাঁস আন্দোলনের প্রেক্ষিতে যখন দিল্লির যন্তর মন্তর থেকে মানসিকতা শুরু আন্দোলন গোটা দেশে ছড়িয়ে পড়ছে তখন বারবার যার নাম সবার আগে উঠে এসেছিল তিনি হলেন অভিজিৎ দীপকে। এমনকি ধর্মেন্দ্র ইস্তফা দেওয়ার পরও তিনি বলেছিলেন, "ঝুকতি  হ্যায় দুনিয়া, ঝুকানেওয়ালা চাহিয়ে"। বুঝিয়ে দিয়েছিলেন, আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে যেভাবে মামলা করা হচ্ছে তা কোনভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। অবিলম্বে গ্রেফতার বা আটক হওয়া পড়ুয়াদের নিঃশর্ত মুক্তি না দিলে বড় আন্দোলনের হুমকিও দিয়েছিলেন। ইতিমধ্যেই বর্ষীয়ান আইনজীবী কপিল সিব্বল সিজেপি-কে ১ কোটি টাকা দেওয়ার ঘোষণা করেছেন। অমিত তিওয়ারির অভিযোগ রাজনৈতিক দল না হওয়া সত্ত্বেও রাজনৈতিক দলের নামে নিজেদের কাজকর্ম পরিচালিত করছে এবং অর্থ লেনদেন করছে CJP। সেই কারণে এই বিষয়টির সত্যতা যাচাই করার জন্য তিনি নির্বাচন কমিশনকে (ECI) অনুরোধ করেছেন।এমনকি কপিলের অনুদানে GST প্রযোজ্য হবে কিনা তা পরীক্ষা করার জন্যও শুল্ক পর্ষদকে চিঠি পাঠিয়েছেন তিওয়ারি। অভিজিতের বাবা মহারাষ্ট্র সরকারের এক প্রাক্তন জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন। তাই তাঁর পক্ষে কী করে মাইনের টাকায় ছেলেকে বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য পাঠানো সম্ভব হল তাও খতিয়ে দেখার আবেদন জানিয়েছেন আরটিআই কর্মী।

সিজেপি প্রধান যদিও এই সবকিছুকে গুরুত্ব দিতে নারাজ। সাম্প্রতিককালে তাঁর সম্পত্তি থেকে শুরু করে ককরোচ পার্টির ফান্ডিং উৎস নিয়ে একাধিক প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়েছে অভিজিতকে। তিনি সাফ জানিয়েছেন, এই দেশের যুব সমাজ বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকারের আসল চরিত্র বুঝে গেছে। তাই এখন কোনও কিছু করেই তাদের দমানো যাবে না। পাশাপাশি দিল্লির যন্তর মন্তরের আন্দোলনে যেভাবে গোটা দেশ থেকে বিভিন্ন মানুষ, নানা সংগঠন তাদের সাহায্য করতে এগিয়ে এসেছে সে কথা উল্লেখ করেছেন অভিজিৎ।