শনিবার সকালে নিউ ফরাক্কায় পরীক্ষামূলকভাবে গড়ালো ট্রেনের চাকা। কোথাও কোনও সমস্যা হয়নি। পূর্ব রেলের মালদহ বিভাগের DRM ইতাজিৎ কৌর জানিয়েছেন, রাতের মধ্যে পরিষেবা স্বাভাবিক করতে কর্মীরা আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছেন। কিন্তু বারবার বৃষ্টির কারণে মেরামতির কাজ বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে। ওভারহেড সিগন্যালিংয়ের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। ট্রায়াল রান (Trial Run) সফল হওয়ায় আর কিছুক্ষণের মধ্যেই ইন্সপেকশন কোচ চালানো হবে। যাত্রীবাহী ট্রেন পরিষেবা শুরু করার আগে এলবিএইচ কামরাযুক্ত ট্রেন চালিয়ে দেখে নিতে চান রেলের ইঞ্জিনিয়াররা। 

বৃহষ্পতিবার থেকে বিপর্যস্ত হয়ে রয়েছে উত্তরবঙ্গ রুটের রেল পরিষেবা। বিভিন্ন স্টেশনে আটকে রয়েছেন যাত্রীরা। বিরোধীরা যখন রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে জন্য রেলের গাফিলতির দিকে আঙ্গুল তুলছে তখন রাজ্যে বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari) যাত্রীদের স্বার্থে বিনামূল্যে অতিরিক্ত সরকারি বাস পরিষেবার কথা ঘোষণা করেছেন। শুক্রবার রাতে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় বড় জেসিবি এবং ১৮টি জ্যাক নিয়ে এসে রেললাইন তোলার কাজ শুরু হয়। শনির সকাল থেকেও জোরকদমে রেল মেরামতির কাজ চলছে। রে তরফ থেকে জানানো হয়েছে যাত্রী সুরক্ষা যেমন গুরুত্বপূর্ণ পাশাপাশি যে শ্রমিকরা কাজ করছেন তাঁদের নিরাপত্তার দিকটাও ভাবতে হচ্ছে। সেই কারণেই বৃষ্টি দুর্যোগে কাজ করার ঝুঁকি নেওয়া যাচ্ছে না।বা সবকিছু ঠিক থাকলে আজ রাতের মধ্যে পরিষেবা স্বাভাবিক হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

আজ সকালের দিকে বৃষ্টি না হলেও দুপুরের পর বিক্ষিপ্ত বর্শনে পূর্বাভাস রয়েছে। সেক্ষেত্রে ট্র্যাক মেরামতির কাজ কিছুটা ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে। ধসে যাওয়ার রেললাইন তুলতে পাওয়ার ব্লক করা হয়েছে। সকাল থেকে অন্তত ১৬০টি ট্রেন ডিজ়েল ইঞ্জিনে চলেছে। এতে বিস্কুটটা সময় বেশি লাগছে।বেলার দিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন পূর্বরেলের জেনারেল ম্যানেজার গীতিকা পাণ্ডে। ঘুরপথের আরও ট্রেন ডিজেল ইঞ্জিন দিয়ে চালানোর চেষ্টা করছে রেল।