সাত বছর পর ভারতে এসে অসুস্থ হয়ে পড়লেন চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। ব্রিকস সম্মেলনের উদ্বোধনী ভাষণ চলাকালীন আচমকা শারীরিক অসুস্থতা বোধ করেন তিনি। সঙ্গে সঙ্গে নিজের বক্তব্য থামিয়ে দেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ইতিমধ্যেই সেই ঘটনার একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে (সততা যাচাই করেনি বিশ্ব বাংলা সংবাদ) । দেখা গিয়েছে মোদির বক্তব্যের ৪ মিনিট ৪০ সেকেন্ডের পর আচমকা জিনপিং অসুস্থতা বোধ করায় সঙ্গে সঙ্গে নিজের বক্তব্য থামিয়ে প্রধানমন্ত্রী চিনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে থাকা দোভাষীর কাছে জানতে চান সব ঠিক আছে কিনা। কয়েক মুহূর্ত পরে ফের নিজের বক্তব্য পেশ করেন মোদি। তখনকার মতো পরিস্থিতি সামাল দেওয়া গেলেও, সূত্রের খবর রবিবার দুপুরেই নয়াদিল্লি থেকে চিনে ফিরে যাবেন জিনপিং। 

আরও পড়ুন: ৯/১১-র আগেই ভারতের দিকে নজর ছিল লাদেনের! সিআইএ-র প্রকাশিত নথিতে চাঞ্চল্যকর দাবি

দিল্লির ভারত মন্ডতমে ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর দুদিনব্যাপী আয়োজিত ব্রিকসের শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে শনিবার দুপুর সাড়ে বারোটা নাগাদ দিল্লি আসেন জিনপিং। তামিলনাড়ুর রামেশ্বরে মন্দিরের ১ হাজার ২১২টি স্তম্ভের একটি করিডরের ব্যাকগ্রাউন্ডে হাত মিলান মোদি ও জিনপিং। অনেকেই ২০১৯ সালের পুরনো সৌহার্দ্য স্মৃতি খুঁজে পেয়েছেন। এরপর দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অংশ নিলেও নৈশভোজে উপস্থিত ছিলেন না চিনের প্রেসিডেন্ট। ভারত বা চিন এই নিয়ে কোনও বিবৃতি না দেওয়ার ধোঁয়াশা তৈরি হয়। করে জানা যায় দীর্ঘক্ষণের প্লেন সফরে ক্লান্তির কারণেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। উদ্বেগ প্রকাশ করেন মোদি, যা দুই দেশের সম্পর্কে বরফ গলার সময়ে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।।রবিবার জানা গিয়েছে দুপুরেই নিজের দেশে ফেরার প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছেন চিনের প্রেসিডেন্ট। 

পূর্বাধাক্ষ সীমান্ত বিতর্ক ও গালমান সংঘাতের পর দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কে শীতলতা তৈরি হয়েছিল। এই সবকিছুতে কাটিয়ে উঠে ফের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করার চেষ্টা হচ্ছে। ২১ সেপ্টেম্বর থেকে দিল্লি গুয়াংঝু আকাশপথে সরাসরি বিমান চলবে বলে ঘোষণা করা হয়েছে। চিন বরাবরই ভারতের শত্রু দেশ পাকিস্তানের বন্ধু বলে পরিচিত। তবে ব্রিকস সম্মেলনে পহেলগ্রাম হামলা তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন জিনপিং। যদিও সরাসরি ইসলামাবাদের দিকে আঙ্গুল তোলেনি লাল ফৌজের দেশ। সীমান্ত সমস্যা নিয়ে ভারত চিনের মতপার্থক্য নতুন নয়। সম্মেলনে দুই দেশের বিবৃতিতেও সেই ফারাক লক্ষ্য করা গিয়েছে।