'রাইজিং ইন্ডিয়া সামিট: ইস্ট এডিশন'-এর তারকা খচিত অনুষ্ঠান মঞ্চে উপস্থিত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আর সেখানেই উপস্থিত তাবড় শিল্পপতি এবং শিক্ষাবিদের মধ্যে থেকে দাঁড়িয়ে পড়ুয়াদের আস্থা ফিরিয়ে আনার জন্য শুভেন্দু অধিকারীকে (Suvendu Adhikari) ধন্যবাদ জানালেন অ্যাডামাস ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা-আচার্য ও রাইস (RICE) গ্রুপের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সমিত রায় (Dr Samit Ray)। জানালেন প্রচুর ছাত্র-ছাত্রী ভিনরাজ্য থেকে বাংলার কলেজে ফেরত আসছেন এবং সেটা হয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে পশ্চিমবঙ্গে (West Bengal) গঠিত সরকারের উপর আস্থায়। পাল্টা বেসরকারি কলেজ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির মান আরও উন্নয়ন করার পাশাপাশি, পড়ুয়াদের চরিত্র গঠনের উপর জোর দিতে নানা পরামর্শ দেন মুখ্যমন্ত্রী। 

সেদিন বলতে উঠে সমিত রায় জানান, বাংলায় নতুন সরকার গঠনের পর থেকে তাঁর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে আবার পড়ুয়ারা ফিরে আসছেন। যাঁরা বাইরে গিয়েছিলেন তাঁরা বাংলায় ফিরছেন। এটা হয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর মুখ্যমন্ত্রীত্বে গঠিত সরকারের উপর আস্থায়। সমিত জানান, বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে অধ্যাপক হিসেবে তিনি ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গে আলাপচারিতা করেন। আর সেখান থেকেই তিনি বর্তমান মুখ্যমন্ত্রীর উপর তাঁদের ভরসার কথা জানতে পেরেছেন। এর জন্য মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে ধন্যবাদ জানান অ্যাডামাস ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা-আচার্য।

এর প্রেক্ষিতে মুখ্যমন্ত্রী জানান, গত বছর কলেজে ভর্তির হারছিল মাত্র কুড়ি শতাংশ। আর এবছর সেটা বেড়ে ১০০ ভাগ হয়েছে। শুভেন্দু বলেন, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির (Private Educational Institute) মানোন্নয়নে ভালো অধ্যাপক নিয়োগ করতে হবে। পাশাপাশি শুধু লেখাপড়া, ডিগ্রি, সমাবর্তন নয়- ছাত্রছাত্রীদের চারিত্রিক গঠনের উপরেও জোর দিতে হবে। সে ক্ষেত্রে এগিয়ে আসতে হবে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিকেও। আগেকার মতো ব্রতচারী, এনসিসি ফিরিয়ে আনার উপর জোর দেন মুখ্যমন্ত্রী।

একই সঙ্গে শুভেন্দু জানান, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) যে নেশা মুক্ত ভারতের ডাক দিয়েছেন তার অঙ্গ হিসেবে বাংলাতেও নেশা মুক্ত সমাজ গড়ে তুলতে হবে। তাঁর কথায়, এই যে নারীদের উপর অত্যাচার- শিশু কন্যারাও নির্যাতনের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না- তার মূল কারণ হল নেশার আসক্তি আর তাই থেকে তৈরি হওয়ার রাগ। এই জন্যই ছোট পড়ুয়াদের হাতে মোবাইল দেওয়ার তীব্র বিরোধী মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, ছাত্রদের লেখাপড়ার সুবিধার্থে প্রয়োজনে আরও দামি ইলেকট্রনিক গ্যাজেট দেওয়া হবে কিন্তু শিক্ষার্থীদের মোবাইল কেনার টাকা দেবে না সরকার।