আরজি করের ঘটনার পর এবার এনআরএস । হাসপাতালে মধ্যেই রহস্যমৃত্যু রুপালি বর্মনের। খুন না অন্যকিছু। একাধিক প্রশ্ন। আরজি করের ঘটনার পর সরকারের তরফে হাসপাতালগুলির নিরাপত্তার কথা ভেবে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল। সেই ব্যবস্থা যথাযথভাবে কার্যকরী হলে এই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি হওয়ার কথা ছিল না। কিন্তু ঘটেছে। এবং তার দায়িত্ব নিতে হবে রাজ্য সরকারকেই। প্রশ্ন উঠেছে, দীর্ঘক্ষণ একজন হাসপাতালের ডিউটি করতে এসে উধাও হয়ে গেলেন। দ্রুত তাঁর খোঁজ নেওয়া হল না কেন? যে বাথরুমে রুপালি পড়ে ছিলেন সেখানে পাওয়া গিয়েছে ফেন্টানল ও পেইনকিলার। এই ইঞ্জেকশন রুপালি নিজেই নিয়েছিলেন নাকি কেউ বলপূর্বক তাঁর শরীরে প্রবেশ করিয়েছিল। রুপালি যদি নিজেই নিতেন তাহলে কেন কনুইয়ের কাছে নেবেন।
রুপালির স্বামী জানাচ্ছেন, সদ্য তাঁদের বিয়ে হয়েছে। এধরনের ঘটনা ঘটার কোনও কারণই নেই। তাহলে কী এমন হল যার জন্য এই ঘটনা দেখতে হল। লক্ষণীয় হল রুপালির স্বামী ময়নাতদন্ত এনআরএসে নয়, চেয়েছেন মেডিক্যালে হোক। তিনি এনআরএস কর্তৃপক্ষের উপর ভরসা করতে পারছেন না সেটা স্পষ্ট। রুপালি যখন অনুপস্থিত তখন তাঁর খোঁজ নেওয়ার কথা ছিল সহকর্মীদের। কিন্তু প্রথমে তাঁর খোঁজ করেন রেসিডেন্ট জুনিয়র ডক্টর। কেন? অসংখ্য প্রশ্ন। যাঁরা আরজি করের সময় জাস্টিসের আওয়াজ তুলেছিলেন, তাঁরা আজ কোথায়? ঘটনা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল, বিজেপি সরকার রোজ বিরোধীদের তোপ দাগছে, অথচ স্বাস্থ্যব্যবস্থা এই ক’মাসেই খোকলা হয়ে গিয়েছে।
















