কলকাতার মির্জা গালিব স্ট্রিটের হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ধোঁয়ায় দম বন্ধ হয়ে ৯ জনের মৃত্যু বলে প্রাথমিক অনুমান করা হলেও, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসতেই প্রকাশ্যে চাঞ্চল্যকর তথ্য। মঙ্গলবার রাতে শিখা ইন হোটেলের আগুন লাগার ঘটনায় মৃতদের প্রত্যেকে শরীরে পোড়ার চিহ্ন মিলেছে বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।তবে তাঁরা কেউই সরাসরি আগুনে পুড়েছেন তেমনটা নয়।
অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় সাধারণত ধোঁয়ার তীব্রতায় শ্বাসকষ্ট হওয়া এবং পরবর্তীতে দম বন্ধ হয়ে মৃত্যু অস্বাভাবিক নয়। তবে একেবারেই কারোর গায়ে আগুন লাগবে না এটা খুব একটা দেখা যায় না। সে ক্ষেত্রে মঙ্গলবার রাতের নিউমার্কেটের ঘটনার পর প্রাথমিক যে রিপোর্ট প্রকাশ্যে এসেছিল তা নিয়ে ধোঁয়াশা ছিল। এইবার ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এটা পরিষ্কার করে দিল যে মৃতদের প্রত্যেকেই অগ্নি দগ্ধ হয়েছিলেন। বিশেষজ্ঞদের কথা অনুযায়ী, ধোঁয়ার কারণে যখন সকলে অচৈতন্য হয়ে পড়েন তখন খুব স্বাভাবিকভাবেই জ্বলন্ত হোটেলের আগুনে তীব্রতায় প্রচন্ড তাপ তৈরি হয়। যার আঁচ লাগে সকলের গায়ে। যেহেতু কেউ সজ্ঞানে ছিলেন না, তাই পেরি মর্টাম পরিস্থিতিতে শরীর পুড়লেও তাঁরা তা অনুভব করতে পারেননি। তাই বাইরে থেকে কোনও আর্তনাদ শোনা যায়নি। তবে মৃতরা কেউ ঝলসে যাননি। কার্বন মনোক্সাইড গ্যাসের কারণে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে প্রত্যেকের মৃত্যু হয়েছে সে কথা ময়নাতদন্তের রিপোর্টেও নিশ্চিত করা হয়েছে।
















