জ্ঞানেশ কুমারের (Gyanesh Kumar) অপসারণের দাবিতে দিল্লির যন্তরমন্তরে (Jantar Mantar) শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করার অনুমতি নিতে ফের পুলিশের দ্বারস্থ হতে চলেছে ককরোচ জনতা পার্টি (CJP) । কিন্তু গতবারের মতো এবারেও যদি প্রশাসন অনুমতি না দেয় সে ক্ষেত্রে বিকল্প পথ কী হতে পারে তা নিয়ে বড়সড়ো ঘোষণা করে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন সিজেপি নেতা আশুতোষ রাঙ্কা (Ashutosh Ranka)।
গত ১০ অক্টোবর সিজেপির প্রতিবাদ কর্মসূচিতে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়েছিল দিল্লি। প্লেন থেকে আটক হন দলের শীর্ষ নেতারা। এরপর রবিবার মুক্তি পেতেই পুলিশ প্রশাসন ও মোদি- শাহের সরকারের বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছে ককরোচ পার্টির শীর্ষ নেতৃত্ব। যেভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার কে বাঁচাতে সর্বশক্তি প্রয়োগ করছে কেন্দ্রীয় সরকার তার থেকে এটা স্পষ্ট যে 'রাজার প্রাণ আছে তোতাপাখিতে', ঠিক এভাবেই দেশের প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে তীব্র আক্রমণ করেছেন আশুতোষ- সৌরভরা (Saurav Das)। সিজেপি প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে মহারাষ্ট্রে তাঁর গ্রামের বাড়িতে ঠাকুমার শেষকৃত্যে যোগ দিতে যাওয়ার আগে জানান ১০অক্টোবর দিনটি থেকেই এদেশে বর্তমান সরকারের একনায়কতন্ত্রের শেষের শুরু হয়ে গিয়েছে। এবার আন্দোলন আরও বাড়বে। সেইমতো সোমবার সকালে ফের পুলিশের কাছে যন্তর মন্তরে আন্দোলনের অনুমতি নিতে চিঠি জমা দেবে ককরোচ দল।

রবিবার রাতে আশুতোষ সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করে লেখেন, 'সোমবার সকাল ১০টায় আমি, সৌরভ দাস, আইনজীবী রত্না সিং এবং সিজেপির অন্য নেতারা পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় যাব। যন্তর মন্তরে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ মিছিল ও আন্দোলনের জন্য নির্দিষ্ট একটি তারিখ চাইতে যাচ্ছি।'তবে শুধু অনুমতি চাওয়াই নয় যদি পুলিশ এবং প্রশাসনের তরফ থেকে সহযোগিতা না মেলে সেক্ষেত্রে বিকল্প পথ হিসেবে ঠিক কোন পদক্ষেপ করতে পারে সিজেপি তারও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। ককরোচ জনতা পার্টির কো কনভেনার লিখেছেন, ''দিল্লি পুলিশ আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যন্তর মন্তরে কর্মসূচির জন্য আমাদের কোনও তারিখ দিক। অথবা আমরা নিজেরাই ফের আন্দোলনের ডাক দেব।'















