সেপ্টেম্বরের শেষলগ্নে বৃষ্টি দুর্যোগ (Rain Disaster) গোটা দেশজুড়ে। পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি ভারতের উত্তরভাগেও ঝড় বৃষ্টির পরিমাণ বেড়েছে। যোগীরাজ্যে গত ৪৮ ঘণ্টায় ১৭ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। মধ্য ও পূর্ব ভারতের বৃষ্টিতে হাজার হাজার মানুষ ঘরছাড়া। বাংলাতে টানা চার দিন ধরে নিম্নচাপের দাপট থাকার পর রবিবার সকাল থেকে সামান্য হলেও বদলেছে আবহাওয়া। 

আরও পড়ুন: ফের বিপর্যয় নেপালে, তুষারধসে নিখোঁজ অন্তত ১০ জন

সূত্রের খবর, গত দুদিন ধরে উত্তরপ্রদেশের অতি ভারী বৃষ্টি জেরে বাড়ছে মৃত্যু মিছিল। রাজের ত্রাণ তহবিল বিভাগের কমিশনার জানিয়েছেন, শনিবার থেকে বৃষ্টির পরিমাণ বেড়েছে। সে রাজ্যের ৭৫ টি জেলার মধ্যে ৬৩ জেলায় স্বাভাবিকের থেকে বেশি বৃষ্টি হয়েছে। হামিরপুর, কানপুর নগর, ফতেহপুর, হারদই, বরাবাঁকি, আমেঠিতে একজন করে বাসিন্দার মৃত্যু হয়েছে। অতিবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত চাষের জমি। বহু মানুষ ঘরছাড়া। উত্তরপ্রদেশের মতই ঝড় বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত ওড়িশাও। সে রাজ্যে ক্ষতিগ্রস্ত ৭৩ হাজারের বেশি মানুষ, নিরাপদে অন্যত্র সরানো হয়েছে ৪০ হাজার জনকে।

রবিবার সকালে তুষারঝড়ে তছনছ তিব্বত সীমান্ত। নেপালের সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, অন্তত ১০ জন নিখোঁজ। পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে নেপাল সরকার। আটকে থাকা পর্বতারোহীদের খুঁজে বের করতে উদ্ধার কাজ শুরু হয়েছে। নেপাল এবং সংলগ্ন অববাহিক অঞ্চলে অবিরাম বৃষ্টির প্রভাব পড়েছে বিহারে। অতিবৃষ্টির কারণে গণ্ডক নদীর জলস্তর বেড়েই চলেছে। পাশাপাশি জলা থাকতে কেউ জল ছাড়া হচ্ছে ফলে বন্যা পরিস্থিতির আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। বৃষ্টির কারণে ছত্তিশগড়ের বিস্তীর্ণ এলাকায় বিচ্ছিন্ন যোগাযোগ ব্যবস্থা। যদিও অতি ভারী বর্ষণে যখন বিপর্যস্ত দেশের একটা বড় অংশ তখন বৃষ্টির ঘাটতিতে খবরের শিরোনামে মহারাষ্ট্র।