২ অক্টোবর গান্ধীজয়ন্তীর দিন মুম্বই থেকে শুরু হবে ককরোচ জনতা পার্টির (Cockroach Janta Party) আন্দোলন। এসআইআর-কে ঘিরে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের জবাবদিহির দাবিতেই এই আন্দোলন। এই আন্দোলন পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছেন সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক (sonam wangchuk)।
আরও পড়ুন: ফিরছে আটের দশকের চেনা নস্ট্যালজিয়া! নতুন রুটে রাজকীয় এন্ট্রি নিচ্ছে ই-দোতলা বাস
রবিবার দিল্লিতে সাংবাদিকদের দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ওয়াংচুক (sonam wangchuk) বলেন, প্রতিটি আন্দোলনে তাঁর শারীরিকভাবে উপস্থিত থাকার প্রয়োজন নেই। তিনি জানান, কোনও নির্দিষ্ট ইস্যুতে সাধারণ মানুষ ও বিভিন্ন সংগঠন নিজেরাই আন্দোলনে এগিয়ে এলে তিনি খুশি হন। তাঁর বক্তব্যে নির্বাচনী ব্যবস্থার গুরুত্বও উঠে আসে।
ওয়াংচুক বলেন, গণতান্ত্রিক দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হল সুষ্ঠু নির্বাচনী প্রক্রিয়া। নির্বাচনী ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হলে গণতন্ত্রের আর কী অবশিষ্ট থাকে, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি। পাশাপাশি লাদাখকে ষষ্ঠ তফসিলের আওতায় আনার প্রতিশ্রুতির প্রসঙ্গ তুলে ওয়াংচুক বলেন, সরকার যে প্রতিশ্রুতি দেয়, তা পূরণ করা উচিত। তিনি আরও জানান, ন্যায়বিচার ও জবাবদিহির দাবিতে কাজ করা সংগঠন, রাজনৈতিক দল এবং নেতাদের তিনি সমর্থন করেন, এমনকী শাসক বিজেপির মধ্যেও যারা এই লক্ষ্যে কাজ করছেন তাঁদেরও।
সম্প্রতি একটি সর্বভারতীয় সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদনে অভিযোগ ওঠে, এসআইআর নিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ও বিতর্কিত সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের দুই কমিশনারকে যথাযথভাবে অবহিত করা হয়নি। অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। এই প্রতিবেদন প্রকাশ্যে আসার পরই তাঁর পদত্যাগের দাবিতে সরব হয়েছে বিরোধী শিবির। ইতিমধ্যেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে শুরু হয়েছে প্রতিবাদ কর্মসূচি। যুব কংগ্রেসের পাশাপাশি পথে নেমেছে এসএফআই, ডিওয়াইএফআই এবং নাগরিক সমাজের একাংশ। তবে এই আন্দোলনে সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছে ককরোচ জনতা পার্টি বা সিজেপি এবং জেন জি-দের সক্রিয়তা।
আরও পড়ুন: পেট্রল নয়, এবার ১০০ শতাংশ ইথানলে গাড়ি: ঘোষণা গড়করির
এর আগে নিট প্রশ্নফাঁস কাণ্ডের প্রতিবাদে দিল্লির যন্তর মন্তরে আন্দোলন শুরু করেছিল ককরোচেরা। তাদের আন্দোলনের জেরে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। ওই আন্দোলনে শামিল হয়েছিলেন ওয়াংচুকও।
















