ক্রিকেটকে বিদায় জানিয়েছেন অনেকদিন আগেই। তবুও জনপ্রিয়তার গ্রাফে ভাটা পড়েনি এতটুকুও। বরং বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কর্পোরেট দুনিয়ায় আরও বেশি আস্থার মানুষ হয়ে উঠেছেন মহেন্দ্র সিং ধোনি (Mahendra Singh Dhoni)। এবার বিশ্বের অন্যতম বড় গয়নার সংস্থা মালাবার গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ডস তাঁকে তাঁদের নতুন ব্র্যান্ড অ্যাম্বসাডার (Brand Ambassador) হিসেবে ঘোষণা করেছে।
৪৫ বছর বয়সেও বিজ্ঞাপনের বাজারে ধোনির চাহিদা যে অটুট, তারই আরও একবার প্রমাণ মিলল এই চুক্তিতে। মালাবার গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ডস (Malabar Gold & Diamonds) জানিয়েছে, দীর্ঘমেয়াদি এই অংশীদারিত্বের মূল লক্ষ্য গ্রাহকদের স্বচ্ছতা, বিশ্বাসযোগ্যতা এবং দায়িত্বশীল ব্যবসার বার্তা পৌঁছে দেওয়া। সংস্থার ‘দ্য রেসপনসিবল জুয়েলার’ প্রচারের মুখ হিসেবেই দেখা যাবে ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ককে।
সংস্থার দাবি, সোনা ও হিরের গয়না কেনার ক্ষেত্রে গ্রাহকদের আস্থা অর্জনই তাদের প্রধান লক্ষ্য। হলমার্কযুক্ত গয়না, স্বচ্ছ মূল্য নির্ধারণ, নির্দিষ্ট মান পরীক্ষার ব্যবস্থা, বাই-ব্যাক সুবিধা, লাইফটাইম মেইনটেন্যান্স, বীমা এবং দায়িত্বশীল উৎস থেকে কাঁচামাল সংগ্রহ এসব পরিষেবার কথাই প্রচারে তুলে ধরা হবে ধোনির মাধ্যমে।
মালাবার গ্রুপের চেয়ারম্যান এম.পি. আহাম্মদ বলেন, বর্তমান সময়ে গ্রাহকরা শুধু ভালো জিনিসই চান না, পাশাপাশি স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতাকেও সমান গুরুত্ব দেন। ধোনির সততা, শৃঙ্খলা ও ধারাবাহিকতার ভাবমূর্তি সংস্থার দর্শনের সঙ্গে মিলে যায় বলেই তাঁকে ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর করা হয়েছে। ধোনি জানিয়েছেন, তাঁর কাছে বিশ্বাস কখনও কথায় নয়, কাজে তৈরি হয়। মালাবারের স্বচ্ছতা ও দায়িত্বশীল ব্যবসায়িক নীতিই তাঁকে এই সংস্থার সঙ্গে যুক্ত হতে উৎসাহিত করেছে। টেলিভিশন, সংবাদপত্র, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম, সোশ্যাল মিডিয়া, রেডিও, সিনেমা, আউটডোর বিজ্ঞাপন এবং বিশ্বের ৪৫০-রও বেশি মালাবার গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ডস শোরুমে ধাপে ধাপে শুরু হবে এই প্রচারাভিযান।
তবে এটাই ধোনির প্রথম বড় কর্পোরেট চুক্তি নয়। ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ার পরেও তিনি দেশের সবচেয়ে চাহিদাসম্পন্ন ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডরদের অন্যতম। বর্তমানে তিনি একাধিক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থার ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর। নতুন করে মালাবারের সঙ্গে যুক্ত হওয়ায় সেই তালিকায় আরও একটি বড় নাম যোগ হল। ক্রিকেট মাঠে যেমন 'ক্যাপ্টেন কুল' ছিলেন, তেমনই বিজ্ঞাপনের বাজারেও ধোনির গ্রহণযোগ্যতা যে এখনও অটুট, তা ফের প্রমাণিত।











