স্বামী বিবেকানন্দের (Swami Vivekananda) ১৬৪তম জন্মদিবস উপলক্ষ্যে দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে জাতীয় যুব দিবস। সোমবার নিজেদের এক্স হ্যান্ডেলে এই নিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁরা স্বামীজির আদর্শ, দর্শন ও যুবসমাজের প্রতি তাঁর অনুপ্রেরণামূলক ভূমিকার কথা তুলে ধরেন। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, স্বামী বিবেকানন্দ ছিলেন এক কালজয়ী চিন্তাবিদ ও আধ্যাত্মিক পথপ্রদর্শক। তিনি মানবসেবাকে ও অন্তর্নিহিত শক্তিকে অর্থপূর্ণ জীবনের ভিত্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। রাষ্ট্রপতির কথায়, স্বামীজি ভারতের চিরন্তন জ্ঞান বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরেন এবং ভারতীয়দের মধ্যে জাতীয় গৌরববোধ জাগ্রত করেন। বিশেষত যুবসমাজকে তিনি জাতি গঠনের কাজে আত্মনিয়োগ করতে উদ্বুদ্ধ করেছিলেন। তাঁর শিক্ষাই ভবিষ্যতেও মানবতাকে পথ দেখাবে বলে লেখেন রাষ্ট্রপতি। আরও পড়ুন: স্বামীজির সর্বজনীন সম্প্রীতির বার্তা চিরন্তন পথপ্রদর্শক: শ্রদ্ধায়-স্মরণে বার্তা অভিষেকের অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বামী বিবেকানন্দকে 'ভারতীয় যুবশক্তির উৎসস্থল' হিসেবে অভিহিত করে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানান। প্রধানমন্ত্রী তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, স্বামী বিবেকানন্দের ব্যক্তিত্ব ও কর্ম আজকের ‘বিকশিত ভারত’-এর সংকল্পে নিরন্তর নতুন শক্তি সঞ্চার করছে। জাতীয় যুব দিবস দেশের সকল নাগরিকের জন্য, বিশেষত যুবসমাজের কাছে নতুন শক্তি ও আত্মবিশ্বাসের বার্তা বয়ে আনুক—এমন কামনাও করেন তিনি। এছাড়াও শ্রদ্ধা জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহও। তিনি লেখেন, স্বামী বিবেকানন্দ দেশের যুব সমাজকে জ্ঞান, দর্শন এবং আধ্যাত্মিকতার ভারতীয় ঐতিহ্যের সাথে যুক্ত করেছিলেন। তিনি রামকৃষ্ণ মিশনের মাধ্যমে সমাজসেবার আদর্শও প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। লক্ষ্য অর্জনের আগে না থামার বার্তা দেওয়া স্বামীজির চিন্তাভাবনা যুবকদের মধ্যে কর্তব্যবোধ ও দেশপ্রেম জাগিয়ে তুলছে এবং একটি উন্নত ভারত নির্মাণকে ত্বরান্বিত করছে। প্রসঙ্গত, স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিন ১২ জানুয়ারি দেশজুড়ে জাতীয় যুব দিবস হিসেবে পালিত হয়। এই দিনে তাঁর আদর্শ, চিন্তা ও যুবসমাজের প্রতি তাঁর আহ্বান নতুন করে স্মরণ করা হয়। - - - - - -