Site Logo

মমতা বোধহয় রাগ করেছেন: রাষ্ট্রপতির ক্ষোভের জবাবে তৃণমূলের অভিযোগের তির কমিশনের দিকে

EBBS DESK·
মমতা বোধহয় রাগ করেছেন: রাষ্ট্রপতির ক্ষোভের জবাবে তৃণমূলের অভিযোগের তির কমিশনের দিকে

”মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমার ছোট বোনের মতো। আমিও বাংলারই মেয়ে। বাংলার মানুষকে আমি ভালোবাসি। মমতা বোধহয় রাগ করেছেন, তাই আমাকে স্বাগত জানাতে তিনি নিজে আসেননি, কোনও মন্ত্রীও আসেননি”। শনিবার, শিলিগুড়িতে (Siliguri) অসন্তোষ প্রকাশ করেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (Droupadi Murmu)। বিধাননগরের বদলে তাঁর অনুষ্ঠানস্থল গোঁসাইপুর করা নিয়েও বিরক্তি প্রকাশ করেন দেশের সংবিধানিক প্রধান। এর পাল্টা জবাব দেয় তৃণমূলও (TMC)। দলের মুখপাত্র অরূপ চক্রবর্তী (Arup Chakrobarty) বলেন, রাষ্ট্রপতির প্রতি সম্মান জানিয়েই বলছি, এই ক্ষোভটা উনি নির্বাচন কমিশন ও বিজেপির উপর দেখালে ভালো হয়। কারণ তাদের জন্যই আজ এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তারা যদি এরকম আচরণ না করতো তাহলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও রাস্তায় নেমে আন্দোলন করতে হত না।

Sponsored

Sranchi In Article

শনিবার শিলিগুড়িতে আদিবাসী সম্মেলনে যোগ দিতে আসেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (Droupadi Murmu)। তাঁকে স্বাগত জানান শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব (Goutam Dev)। প্রোটোকল অনুযায়ী, রাজ্যপাল বা মুখ্যমন্ত্রী বা কোনও মন্ত্রী বা রাজ্য প্রশাসনের কোনও প্রতিনিধিকে থাকতে হয়। এক্ষেত্রে সেটা না হওয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করেন রাষ্ট্রপতি। বলেন, ”মমতা বোধহয় রাগ করেছেন, তাই আমাকে স্বাগত জানাতে তিনি নিজে আসেননি, কোনও মন্ত্রীও আসেননি।”

রাষ্ট্রপতির অনুষ্ঠান স্থান ঘিরেও বিতর্ক দেখা দেয়। কথা ছিল বিধাননগরে সভা হবে। কিন্তু নিরাপত্তার কারণে বিধাননগরে রাষ্ট্রপতিকে নিয়ে যাওয়া সম্ভব ছিল না। সভাস্থল বদলে গোঁসাইপুরে করা নিয়েও উষ্মা প্রকাশ করেন দ্রৌপদী মুর্মূ। বলেন, ”ওখানে অনুষ্ঠান হলে ভালো হতো। ওখানে অনেক জায়গা, অনেক মানুষ আসতে পারতেন। কিন্তু রাজ্য প্রশাসন কেন জানি না, এখানে সভার অনুমতি দেয়নি। এমন জায়গায় আজকের অনুষ্ঠান হচ্ছে, এখানে মানুষের আসা কঠিন। রাজ্য সরকার হয়তো আদিবাসীদের ভালো চায় না, তাই এখানে তাঁদের আসতে বাধা দেওয়া হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমার ছোট বোনের মতো। আমিও বাংলারই মেয়ে। বাংলার মানুষকে আমি ভালোবাসি। মমতা বোধহয় রাগ করেছেন, তাই আমাকে স্বাগত জানাতে তিনি নিজে আসেননি, কোনও মন্ত্রীও আসেননি। যাই হোক, এটা ব্যাপার নয় কোনও। আপনার সকলে ভালো থাকবেন।”

এর পাল্টা অরূপ চক্রবর্তী বলেন, এই ক্ষোভটা উনি নির্বাচন কমিশন ও বিজেপির উপর দেখালে ভালো হয়। কারণ তাদের জন্যই আজ এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তারা যদি এরকম আচরণ না করতো তাহলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও রাস্তায় নেমে আন্দোলন করতে হত না। নিশ্চয় রাষ্ট্রপতি বুঝবেন। তিনি না বোঝার মতো মানুষ নন। রাষ্ট্রপতির উপর পূর্ণ সম্মান জানিয়ে বলেছি, না যাওয়ার মতো কোনও বিষয় নয়। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সর্বদা মানুষের স্বার্থকে বেশি প্রাধান্য দিয়েছেন।

-

-

-

-

-

-

Sponsored

Merlin In Article

Sponsored

Shyam Sundar In Article

Sponsored

Camelia In Article

Sponsored

Techno India In Article

Sponsored

Probe In Article

Related Articles

More from শিরোনাম

View All →