ই-টোয়েন্টি পেট্রোলের জোগান বাড়াতে গিয়ে সরাসরি তার প্রভাব পড়েছে চিনির বাজারে। চড়চড়িয়ে বাড়ছে দাম। যে হারে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের মূল্যবৃদ্ধি হচ্ছে তাতে মধ্যবিত্তের পকেটে টান পড়ছে। এই পরিস্থিতিতে বিশেষ নজরদারির কথা জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী, সেই মতো মঙ্গলবার সকালে কলকাতার বিভিন্ন বাজারে হানা দিলেন ইবি আধিকারিকরা। চিনির পাশাপাশি, চাল-তেল -ডাল অবৈধভাবে মজুত করা রয়েছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা হয়। মানিকতলা থেকে এন্টালি, শিয়ালদহ থেকে যদুবাবুর বাজারে সকাল থেকে দেখা গেল টাস্ক ফোর্সকে।

এদিন সকালে দক্ষিণ ও উত্তর কলকাতার বাজারে অভিযান চালায় ইবির ১০ টিম।গত তিন সপ্তাহে কেজি প্রতি চিনির দাম অন্তত কুড়ি থেকে ২৫ টাকা দাম বেড়েছে। বিশেষজ্ঞরা এই ঘটনার পিছনে ইথানল সংকটকে দায়ী করলেও কেন্দ্র তা মানতে নারাজ। কিন্তু কারণ যাই হোক না কেন যেভাবে চাল, ডাল, তেল, চিনি, নুন, রসুন, পেঁয়াজ, সবজি, মাছ - মাংসের দাম বাড়ছে তাতে নাভিশ্বাস উঠছে আমজনতার। সোমবার নবান্ন থেকে সাংবাদিক সম্মেলন করে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) আশ্বাস দিয়েছিলেন চিনির দাম নিয়ন্ত্রণে আসবে। তিনি জানান, লিকেজ কোথায় আছে তা বোঝা গিয়েছে। ফলে পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসবে। এরপরই দেখা গেল এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চের আধিকারিক থেকে কলকাতা পুরসভার সদস্য এবং কলকাতা পুলিশ আজ সকালে বিভিন্ন বাজারে হানা দিয়েছে। শুধু কলকাতা নয়, জেলাতেও বাজারে বাজারে প্রশাসনিক কর্তাদের অভিযান চলেছে।