- প্রথমত, সীমান্ত পেরনো অনুপ্রবেশকারীকে ধরা মাত্র পুলিশ তাঁদের পাঠাবে হোল্ডিং সেন্টারে।
- দ্বিতীয়ত, যারা জেলবন্দি, তাঁদের আর আদালতে পেশ না করে হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হবে।
- তৃতীয়ত, সাজার মেয়াদ শেষ হওয়া সত্ত্বেও আইনি জটিলতায় যে বাংলাদেশিদের প্রত্যার্পণ করা যায়নি, তাঁদেরও হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হবে। সূত্রের খবর, লালগোলার হোল্ডিং সেন্টারে যে ৩ জন পুরুষকে রাখা হয়েছে, তাঁদের বয়স ৩০ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে। তবে বিস্তারিত পরিচয় জানা যায়নি। - - - - - -
ডিটেক্ট-ডিলিট-ডিপোর্ট: মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পরেই লালগোলার হোল্ডিং সেন্টারে ৩ ‘অনুপ্রবেশকারী’
ডিটেক্ট-ডিলিট-ডিপোর্ট- কয়েকদিন আগেই অনুপ্রবেশকারীদের তাড়াতে আগেই এই বার্তা দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সেই মর্ম দুই আগেই জেলায় জেলায় হোল্ডিং সেন্টার তৈরির নির্দেশ দিয়েছে সরকার। সোমবার লালগোলার (Lalgola) হোল্ডিং সেন্টার (Holding Centre) পদ্মাভবনে তিন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে রাখা হল। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ মতো, প্রথমে তাঁদের বিএসএফের (BSF) হাতে তুলে দেওয়া হবে। তারপর বাংলাদেশে পুশব্যাক।
বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনে অনুপ্রবেশ ইস্যুকে হাতিয়ার করে প্রচার করে বিজেপি (BJP)। রাজ্যে ক্ষমতা দখলের পরেই ‘ডিটেক্ট-ডিলিট-ডিপোর্ট’-এর (Detect-Delete-Deport) নির্দেশ দিয়েছেন শুভেন্দু। সেই মতোই কাজ শুরু করল রাজ্য সরকার। ২৩ মে জারি হওয়ায় সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী, প্রত্যেক জেলায় হোল্ডিং সেন্টার তৈরির কাজ শুরু করতে হবে। আর তার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই লালগোলার পদ্মাভবনের তিনতলার হোল্ডিং সেন্টারে ৩ বাংলাদেশিকে রাখা হয়েছে।
হোল্ডিং সেন্টারগুলিতে (Holding Centre) তিন ধরনের লোকদের রাখার কথা সরকারি নির্দেশিকা বলা হয়েছে।
Sponsored

Sponsored

Sponsored













