দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে গান্ধী জন্মজয়ন্তীর সকাল থেকে উত্তাল দিল্লি। দেশ জুড়ে ককরোচ জনতা পার্টির (CJP) আন্দোলন শুরু হওয়ার আগেই রাজধানীতে আম আদমি পার্টির (AAP) নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের বচসা। মহিলাদের টেনে হিঁচড়ে সরিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। অনুমতি না থাকা সত্ত্বেও দিল্লির যন্তর মন্তর সংলগ্ন এলাকায় প্রতিবাদ বিক্ষোভ কর্মসূচি করার জন্য আপ নেতা সৌরভ ভরদ্বাজকে আটক করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে। 

 

এসআইআর কেলেঙ্কারি জেরে CEC-র পদত্যাগের দাবি জোড়ালো হচ্ছে সারাদেশে। আজ মুম্বই থেকে আন্দোলনে নামতে চলেছে ককরোচ জনতা পার্টি। তার আগে শুক্রবার সকাল থেকেই রাজধানীতে যন্তর মন্তর সংলগ্ন একাধিক রাস্তা বন্ধ করা হয়েছে। নয়া দিল্লি জুড়ে ভারতীয় দণ্ডবিধির ১৬৩ (আগের ১৪৪) ধারা বলবৎ করে যাবতীয় জমায়েতে জারি নিষেধাজ্ঞা। ইতিমধ্যেই রাজিব চক, কেন্দ্রীয় সচিবালয়, প্যাটেল চক, জনপথ, মান্ডি হাউজ - সহ ১১ মেট্রো স্টেশন বন্ধ করেছে দিল্লি পুলিশ। গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা ও ক্রসিংএ বিশাল পুলিশবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। NEET আন্দোলনের তীব্রতার কথা মাথায় রেখে আগে থেকেই কড়া ব্যবস্থা প্রশাসনের।

এদিন ছাত্র সংগঠন অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন বা আইসা, রাজ্যসভার সাংসদ মনোজ ঝা এবং সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণের ডাকে যন্তর মন্তরে জমায়েত শুরু হওয়ার কথা বেলা ১১টায়। পুলিশের অনুমতি অবশ্য মেলেনি। কিন্তু তা সত্ত্বেও বিপুলসংখ্যক মানুষ রাস্তায় নামতে পারেন বলে আশঙ্কা প্রশাসনের। পুলিশের অতি সক্রিয়তা চোখে পড়েছে মুম্বাইয়ের শিবাজি পার্কেও। সেখানে বিকেল চারটে থেকে জেল ভরো আন্দোলন শুরু করবে সিজেপি।