দুবাই থেকে তেল আভিভগামী ফ্লাইদুবাই ফ্লাইটের ভবিষ্যৎ ভয়ঙ্কর হতে পারত। কিন্তু ফ্লাইটের ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছরের (Smit Machchhar) সাহসিকতায় রক্ষা পেলেন ১৮০ জন যাত্রী। মাঝআকাশে ভারতীয় ক্যাপ্টেন রুখে দিলেন ফ্লাইট হাইজ্যাকিং। ভয়ঙ্কর বিপদের মুখে ভারতীয় ক্যাপ্টেনের সাহসিকতায় গর্বিত বিশ্ব। এরপরই ৯/১১-এর মতো মর্মান্তিক বিপর্যয় রুখে দিয়েছেন বলে উল্লেখ করেছে প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Narendra Modi)।
আরও পড়ুন: বিচারকের পোশাক দেখে এজলাসে ‘জয় শ্রীরাম’! আদালতের মর্যাদা রক্ষায় সরব আইনজীবীরা
দিল্লিতে ইউনিয়ন পাবলিক সার্ভিস কমিশনের শতবর্ষ উদযাপন অনুষ্ঠানে ভাষণ দেওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী মোদি আবারও ভারতীয় ক্যাপ্টেন মচ্ছরের প্রশংসা করেন। লেন, ওই ভারতীয় পাইলটের সাহস এবং উপস্থিত বুদ্ধি ‘৯/১১-এর মতো এক মর্মান্তিক ঘটনা’ এড়াতে সহায়তা করল।
ইতিমধ্যে মোদি ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছরের স্ত্রী ও বাবা-মায়ের সঙ্গেও কথা বলেছেন।
বৃহস্পতিবার সকালে এক্স হ্যান্ডেলে মোদি মচ্ছরের প্রশংসা করে বলেন, তিনি নায়ক। চরম বিপদ ও গুরুতর আঘাত সত্ত্বেও তিনি অন্যদের জীবন রক্ষায় অসীম সাহস ও অবিচল সংকল্পের পরিচয় দিয়েছেন। তাঁর এই বীরত্ব শত শত মানুষের জীবন বাঁচাতে এবং এক বড় ধরনের ট্র্যাজেডি এড়াতে সাহায্য করেছে। তাঁর জন্য গর্বিত। তাঁর দ্রুত আরোগ্য প্রার্থনা করেছেন মোদি।
আরও পড়ুন: জ্ঞানেশের পরে এবার সীমা: দিল্লির পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় অভিযোগ দায়ের মহুয়ার
ঘটনাটি কী হয়েছিল?
বুধবার সকালে ফ্লাইদুবাইয়ের এফজেড ১০৭৩ বিমানটি দুবাই থেকে তেল আভিভের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিল। চালকের আসনে ছিলেন ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছর। অভিযোগ, ককপিটের ভিতর তাঁর উপর আচমকা হামলা চালান সহ-পাইলট। ছুরি দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপানো হয় তাঁকে। প্রায় দু’মিনিটে ১৭ হাজার ৪০০ ফুট নীচে নেমে আসে বিমানটি। তবে শেষ পর্যন্ত বিমানে থাকা অন্যান্য পাইলট এবং বিমানকর্মীরা পরিস্থিতি সামাল দেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী, রক্তে ভেসে যাচ্ছিল ককপিট। গুরুতর আহত অবস্থায় পড়েছিলেন ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছর। বড়সড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারত। কিন্তু উড়ানটি নিরাপদে সৌদির উত্তর-পশ্চিমে, তাবুক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করানো হয়। ইতিমধ্যেই হামলাকারী সহ-পাইলটকে গ্রেফতার করা হয়। বর্তমানে ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছর সৌদির একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
















