ইউনেস্কোর নাম ও লোগো ব্যবহার করে দুর্গাপুজো পরিক্রমার ভুয়ো পাস বিক্রি নামে কোটি কোটি টাকা দুর্নীতির অভিযোগে বুধবার সকালে ইডি দফতরে হাজিরা দিলেন ইন্দ্রনীল সেন। এগারোটা বাজার কিছু সময় আগে সিজিও কমপ্লেক্সে পৌঁছে যান প্রাক্তন মন্ত্রী। ঢোকার সময় সাংবাদিকদের প্রশ্ন এড়িয়ে যান শিল্পী। আর কিছুক্ষণের মধ্যেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা শুরু হবে বলে জানা গিয়েছে। 

রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনের (Indranil Sen)বিরুদ্ধে দুর্গাপুজোর পাস বিক্রি নিয়ে দুর্নীতি করার অভিযোগের তদন্তে নেমে মঙ্গলবার সকাল থেকে রাত পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ১৫ ঘণ্টা ধরে প্রাক্তন মন্ত্রীর কসবার বাড়িতে তল্লাশি চালান কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা। কিছু বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে কিনা তা স্পষ্ট নয়। তবে প্রাথমিকভাবে ৫০- ৬০ কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে বলে মনে করা হলেও তদন্তে নেমে আধিকারিকরা মনে করছেন এই সংখ্যাটা আরও অনেক বেশি। 

ভুয়ো পাস বিক্রিতে ইন্দ্রনীলের স্ত্রী মধুছন্দা সেনেরও যোগসূত্র রয়েছে বলে মনে করছেন কেন্দ্রীয় আধিকারিকরা। ২০২১ সালে কলকাতা দুর্গাপুজো ইউনেস্কোর স্বীকৃতি পাওয়ার পরই মধুছন্দার 'মাস আর্ট' সংগঠন নিজেদের ইউনেস্কোর (UNESCO) অফিসিয়াল পার্টনার বলে দাবি করে দুর্গা পুজোর প্রচারের নামে চড়া দামে পুজো পরিক্রমার পাস বিক্রি করে বলে অভিযোগ। মানুষের বিশ্বাস জিততে টিকিটে বেআইনিভাবে ইউনেস্কোর নাম ও লোগোও নাকি ব্যবহার করা হয়েছিল। ইন্দ্রনীল যদিও সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলছেন অভিযোগকারী পর্যটন ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। যেহেতু তিনি পর্যটন দপ্তরের মন্ত্রী ছিলেন তাই সেই সংক্রান্ত কোনও রাগ বা প্রতিহিংসা থেকেই এই অভিযোগ করা হয়েছে।