১৮০ জন যাত্রী নিয়ে দুবাই (Dubai) থেকে রওনা হওয়া তেল অভিভগামী বিমানের অপহরণের আশঙ্কায় বুধবার সকাল থেকেই চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। শোনা যায় ককপিট থেকে নাকি হাইজ্যাকের বার্তা গিয়েছে এটিসিতে (Air Traffic Control)। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই বদলে যায় পুরো ছবিটা। জানা যায় কোনও অপহরণের ঘটনা ঘটেনি। মাঝআকাশে আচমকাই বদলে গেছে গতিপথ। আপাতত সৌদি আরবে ফ্লাই দুবাই (Fly Dubai) বিমানের জরুরি অবতরণ হয়েছে। যাত্রীরা সকলেই সুরক্ষিত আছেন।

আরও পড়ুন: জ্ঞানেশের বিরুদ্ধে একজোট বিরোধীরা, দিল্লিতে শুরু I.N.D.I.A ব্লকের বৈঠক

এদিন সকালে এফজেড ১০৭৩ বিমান দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তেল আভিভের বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরের দিকে রওনা দেয়। সৌদি আরবের আকাশীমায় ঢোকা মাত্রই আচমকাই এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলে হাইজ্যাক কোড পৌঁছে যায়। সাধারণত জরুরি পরিস্থিতিতে বা অপহরণের আশঙ্কায় পাইলটরা এই কোড পাঠান। বিমানে দেড়শো জন ইজরায়েলি যাত্রীও ছিলেন। পরিস্থিতির দিকে নজর রাখতে ইসরাইল যুদ্ধ বিমান পাঠায় আকাশে। তারপর জানা যায় সৌদিতে তাবুক বিমানবন্দরে উড়ানের জরুরি অবতরণ করানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, ককপিটে দুই পাইলটের মধ্যে তীব্র বিবাদের সময় ওই মেসেজ এটিসিতে পাঠানো হয়েছিল। অপহরণের কোনও ঘটনা ঘটেনি।

ফ্লাইট ট্র্যাকিং ওয়েবসাইট 'ফ্লাইট রাডার ২৪'-র দেওয়া তথ্য অনুযায়ী কপি থেকে জরুরি সিগনাল কোড ৭৭০০ পাঠানো হয়েছিল ট্র্যাফিক কন্ট্রোলে। ট্র্যাকিং ডেটায় দেখা যায় বিমান স্বাভাবিকের থেকে অনেক বেশি উচ্চতায় উড়ছে। খানিকক্ষণ পর ট্র্যাকিং সাইড থেকে বিমান গায়েব হয়ে যায়। পরে জানা যায় ককপিটে দুই পাইলটের প্রচন্ড বাদানুবাদ ও হাতাহাতির কারণে আপৎকালীন সিগন্যাল সক্রিয় করা হয়েছিল। ঠিক কী কারণে এই ঘটনা তা জানতে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত শুরু হয়েছে।