ভারত-মায়ানমার সীমান্তে (India-Myanmar Border) টহলরত নিরাপত্তা বাহিনীর উপর জঙ্গি হামলা। অরুণাচল (Arunachal) প্রদেশের চাংলাং জেলায় এই ভয়ঙ্কর সন্ত্রাসী হামলায় মৃত্যু হয়েছে অসম রাইফেলসের এক জওয়ানের। আহত হয়েছে আরও ৪ জওয়ান।
আরও পড়ুন: সীমান্ত সন্ত্রাস আটকাতে বদ্ধপরিকর ভারত, পাক ঘনিষ্ঠতা নিয়ে আমেরিকাকে কড়া বার্তা জয়শঙ্করের!
মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৬টায় হামলা হয়। সেনা-গোয়েন্দা সূত্রে প্রাথমিক অনুমান, সীমান্ত টহলরত ২১ নং অসম রাইফেলসের (Assam Rifles) জওয়ানদের উপর হামলা চালিয়েছে এনএসসিএন খাপলাং। মায়ানমার সীমান্ত এলাকাতেই রয়েছে এই কুখ্যাত জঙ্গি গোষ্ঠীর ঘাঁটি। নিরাপত্তা বাহিনী এবং জঙ্গির গুলির লড়াইয়ে প্রাণ গিয়েছে ৪২ বছরের হাবিলদার জানখোকাই কুকির। আহতদের নিকটবর্তী সেনা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ন্যাশনাল সোশালিস্ট কাউন্সিল অফ নাগাল্যান্ড বা এনএসসিএন-এর দু'টি শাখা রয়েছে। এদের মধ্যে একটি গোষ্টীর সঙ্গে ভারতীয় সেনার শান্তিচুক্তি হয়েছে। যদিও এনএসসিএন খাপলাং এই চুক্তির বাইরে। ভারত-মায়ানমার সীমান্ত এলাকাকে অস্থির করে তোলাই এদের কৌশল। মঙ্গলবার জঙ্গি হামলার পরে চাংলাং জেলার সীমান্ত এলাকা ঘিরে ফেলে তল্লাশি অভিযান চালায় অসম রাইফেলসের বিরাট বাহিনী। যদিও এখনও পর্যন্ত একজনও জঙ্গির হদিশ মেলেনি। মনে করা হচ্ছে দুর্গম পাহাড় ও জঙ্গলের আড়ালে আশ্রয় নিয়েছে সন্ত্রাসবাদীরা।
আরও পড়ুন: ভয়ঙ্কর বিমান হামলা মায়ানমারে, মৃত ৫০
জঙ্গিদের নিষ্ক্রিয় করতে নিরাপত্তা বাহিনী ওই এলাকায় অভিযান শুরু করেছে। এই অঞ্চলে সক্রিয় জঙ্গি গোষ্ঠীগুলির আনাগোনার কারণে চংলাং জেলায় ভারত-মায়ানমার সীমান্ত এলাকাটি স্পর্শকাতর। ন্যাশনাল সোশালিস্ট কাউন্সিল অফ নাগাল্যান্ড বা এনএসসিএন-এর দু'টি শাখা রয়েছে। এদের মধ্যে একটি গোষ্টীর সঙ্গে ভারতীয় সেনার শান্তিচুক্তি হয়েছে। যদিও এনএসসিএন খাপলাং এই চুক্তির বাইরে। ভারত-মায়ানমার সীমান্ত এলাকাকে অস্থির করে তোলাই এদের কৌশল।
















