মালদহ ও বিহার সীমান্তবর্তী এলাকায় গঙ্গা ভাঙনের প্রভাব পড়ল রেলরুটে। বুধবারের পর বৃহস্পতিবারও রেল লাইনের ধসের কারণে ব্যাহত পরিষেবা, বাতিল একাধিক লোকাল ও এক্সপ্রেস ট্রেন। পাশাপাশি মালদহ ডিভিশনের রেল লাইনের আশেপাশে বহু জায়গায় জল জমে রয়েছে তাই সেক্ষেত্রে যে কোন মুহূর্তে আরও বিস্তীর্ণ এলাকায় মাটি ধসে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। তাই সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে বেশকিছু ট্রেন গুড় পথে চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে পূর্ব রেল।  

বুধবার সকাল থেকে বারোটি ট্রেন বাতিলের ঘোষণা হয়েছিল। কিন্তু বৃহস্পতিবার সংখ্যাটা আরও বেড়ে গেল। রেল সূত্রে জানা গিয়েছে প্যাসেঞ্জার -মেমু মিলিয়ে অন্তত ২২ টি ট্রেন বাতিল থাকছে। পূর্ব রেল বলছে গঙ্গার জল না নামলে এবং প্লাবিত মাটির বাঁধন শক্ত না হওয়া পর্যন্ত ট্রেন চালানোর সমস্যা থাকবে। সেক্ষেত্রে ভোগান্তি বাড়ছে যাত্রীদের। রেললাইন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বেশ কিছু দূরপাল্লার এক্সপ্রেস ঘুরপথে চালানো হচ্ছে। এই তালিকায় রয়েছে আনন্দ বিহার–আগরতলা তেজস রাজধানী এক্সপ্রেস, দিল্লি–কামাখ্যা ব্রহ্মপুত্র মেল। সংশ্লিষ্ট দুটি ট্রেনই জামালপুর–মুঙ্গের–কাটিহার রুট দিয়ে ঘুরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। গয়া–হাওড়া এক্সপ্রেস ও নাটেশ্বর–হাওড়া স্পেশাল কিউল–ঝাঝা–আসানসোল দিয়ে গন্তব্যে যাবে।ভাগলপুর রাঁচি বনাঞ্চল এক্সপ্রেস এবং জামালপুর–হাওড়া এক্সপ্রেসেরও রুট পরিবর্তন করার খবর মিলেছে।

রেললাইন ক্ষতিগ্রস্ত থাকার কারণে ভাগলপুর–আজিমগঞ্জ প্যাসেঞ্জার এবং রামপুরহাট গয়া প্যাসেঞ্জার ট্রেনের গতিপথ আংশিক বদল করা হয়েছে। এছাড়া সাহেবগঞ্জ মালদা টাউন মেমু, সাহেবগঞ্জ হাওড়া এক্সপ্রেস,বারহরওয়া–সাহেবগঞ্জ প্যাসেঞ্জারের মতো গুরুত্বপূর্ণ ট্রেন বাতিল হওয়ায় যাত্রীদের সমস্যা বাড়ছে।