গোপন সূত্রে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নাকা তল্লাশি চালিয়ে আলিপুরদুয়ারের কুমারগ্রাম থানা এলাকার বারোবিশা ফাঁড়ির পুলিশ উদ্ধার করল ৫০টি মোষ। অবৈধভাবে গবাদি পশু পাচারের অভিযোগে একটি বড় কন্টেনার ট্রাক আটক করার পাশাপাশি গ্রেফতার করা হয়েছে চালক ও খালাসিকে। বেআইনি পশু পাচারের বিরুদ্ধে প্রশাসন যে কোনও রকম ঢিলেমি বরদাস্ত করবে না, তা স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে খবর, অসম-বাংলা সীমানা লাগোয়া কুমারগ্রামের রায়ডাক ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় নাকা চেকিংয়ের সময়ে সন্দেহভাজন ওই কন্টেনারটিকে দাঁড় করান পুলিশকর্মীরা। গাড়িটি খুলতেই দেখা যায়, ভেতরে গাদাগাদি করে বোঝাই করা রয়েছে ৫০টি পূর্ণবয়স্ক মোষ। পশু পরিবহনের জন্য প্রয়োজনীয় বৈধ অনুমতিপত্র বা কাগজপত্র দেখতে চাওয়া হলে চালক ও খালাসি তা দেখাতে ব্যর্থ হন। এর পরই গাড়িটি বাজেয়াপ্ত করে দু’জনকে আটক করে বারোবিশা ফাঁড়ির পুলিশ।

ধৃতদের নাম সাগির আহমেদ (৩২) এবং আব্দুল কাদির (১৯)। তাঁদের বিরুদ্ধে পশু নির্যাতনের পাশাপাশি ভারতীয় ন্যায় সংহিতার নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করেছে কুমারগ্রাম থানার পুলিশ। এই চক্রের পেছনে অন্য কোনও আন্তঃরাজ্য চক্র যুক্ত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

জেলা পুলিশের এই তাৎক্ষণিক তৎপরতার প্রশংসা করে নবান্নের তরফে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে, সীমান্ত পেরিয়ে এ রাজ্যে গবাদি পশু পাচারের যে কোনও ছক ভেস্তে দিতে পুলিশ-প্রশাসন বদ্ধপরিকর। পাচার রুখতে নাকা তল্লাশি ও নজরদারি আরও জোরদার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।