ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দিয়ে দেশবাসীর গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেওয়ার অপরাধে পদত্যাগ করতে হবে জ্ঞানেশ কুমারকে (Gyanesh Kumar), দেশজুড়ে ক্রমশই জোরালো হচ্ছে বিরোধীদের দাবি। ইতিমধ্যেই ইন্ডিয়া ব্লক থেকে শুরু করে ককরোচ জনতা পার্টি (CJP) একাধিক কর্মসূচির ঘোষণা করে দিয়েছে। বুধবার দিল্লিতে রাহুল গান্ধী,প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, মহুয়া মৈত্র, ডেরেক ও'ব্রায়েনদের আটক করা হয়। এরপরই বৃহস্পতিতে দিল্লির বুকে আরও বড় আন্দোলনের ডাক বিরোধীদের। এদিন সকাল থেকে বিহারের পাটনায় তেজস্বী যাদবের লোকভবন অভিযান ঘিরে উত্তেজনার পরিস্থিতি তৈরি হয়। শুধু মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগই নয়, বিহারের নির্বাচন বাতিল করার দাবিও তোলেন RJD নেতা। 

SIR নিয়ে জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে বৃহস্পতিবার বেঙ্গালুরুর ফ্রিডম পার্কে ধ্রুব রাঠী, প্রকাশ রাজ-সহ CJP নেতৃত্ব ‘পিপলস ট্রাইব্যুনাল’ কর্মসূচি শুরু করেছে। পরবর্তীতে প্রতীকী ‘চপ্পল প্রতিবাদ’ হওয়ার কথা রয়েছে। এদিন জ্ঞানেশের ইস্তফা ও এসআইআর বাতিলের দাবিতে দেশের রাজ্যে রাজ্যে, জেলায় জেলায় প্রতিবাদ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে কংগ্রেস। সেই মতো পঞ্জাব থেকে দেরাদুন সর্বত্রই বিক্ষোভ মিছিলের ছবি ধরা পড়েছে। কলকাতাতেও লোকভবন অভিযানে জাতীয় কংগ্রেসের একাধিক নেতা-কর্মীকে আটক করেছে লালবাজার। আজ রাজধানী জুড়ে ইন্ডিয়া ব্লকের আন্দোলনে আরও বেশি সংখ্যায় সাংসদ থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ জড়ো হয়েছেন। শুক্রবার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার কথা রয়েছে I.N.D.I.A-র সদস্যদের। যোগ দেবেন বাংলার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। 

আগামী ১০ অক্টোবর CEC- র পদত্যাগের দাবির পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের কাঠামোগত সংস্কারের দাবি নিয়ে দিল্লির যন্তর মন্তরে কর্মসূচির ঘোষণা করেছে সিজেপি। ককরোচ দলের মুখপাত্র সৌরভ দাস জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছে গিয়েছে যে শুধুমাত্র একজনের পদত্যাগে কোনও কিছুর পরিবর্তন হবে না। তাই মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। একই সঙ্গে ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে চলমান বিশেষ নিবিড় পুনর্বিবেচনা প্রক্রিয়া স্থগিত করার দাবি জানিয়েছে আরশোলাদের দল।