কলকাতা  লিগে কাস্টমসকে হারানোর পর আগেই সুপার সিক্সে পৌঁছে গিয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। ইউনাইটেড কলকাতার বিরুদ্ধে নিয়মরক্ষার  ম্য়াচেও জয় পেয়ে  ডার্বির আগে আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে নিল ইস্টবেঙ্গল।  

নৈহাটি বঙ্কিমাঞ্জলী স্টেডিয়ামে, ইস্টবেঙ্গলের কাছে ৩-০ গোলে হেরে এবারের মতো অভিযান শেষ করলো ইউনাইটেড কলকাতা এসসি। লাল হলুদ শিবিরের পক্ষে হ্যাটট্রিক করলেন আকাশ হেমব্রম (২৩', ৮৬', ৯০'+৪')।

 আগামী ৭ সেপ্টেম্বর বারসত স্টেডিয়ামে বিকেল ৫টা থেকে ডার্বি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। তার আগে এটাই ছিল লিগে লাল হলুদের শেষ ম্যাচ।  ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্বক মেজাজে খেলতে শুরু করে অর্চিষ্মান বিশ্বাসের দল। ২২ মিনিটে ডেডলক ভাঙেন আকাশ হেমব্রম।  থ্রু পাস পেয়ে ইউনাইটেড কলকাতার গোলকিপার সুরজ মল্লিককে পরাস্ত করে গোল করেন। তবে গোলের জন্য এরপর অনেকটা সময় অপেক্ষা করতে হল লাল হলুদকে। ম্যাচের ৮৬ মিনিটে দ্বিতীয় গোল করেন আকাশ। তবে অতিরিক্ত সময়ে নিজের হ্যাটট্রিক পূরণ করেন আকাশ।

এদিকে, দলকে আরও শক্তিশালী করছে লাল হলুদ টিম ম্যানেজমেন্ট।  নতুন বিদেশি ফরোয়ার্ডের আগমনের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করলো ইস্টবেঙ্গল।নিজের দেশ আইভরি কোস্টে সিনিয়র ফুটবলে কেরিয়ার শুরু করেন লোবা। পরে বিদেশে পাড়ি দিয়ে মেক্সিকোর ফুটবলে নিজের পরিচিতি তৈরি করেন। কেরেতারো ও মনতেরের মতো ক্লাবে খেলেছেন তিনি। আইভরি কোস্টের অনূর্ধ্ব-২০ জাতীয় দলের হয়েও প্রতিনিধিত্ব করেছেন এই ফরোয়ার্ড। মেক্সিকোর ফুটবলে তাঁর গতি, শারীরিক শক্তি এবং গোল করার দক্ষতা নজর কেড়েছিল।


অবনমন থাকছে না চলতি মরসুমের আইএসএলে। ডায়মন্ড হারবার এফসি অংশগ্রহণ করতে না পারায় মরসুমের শেষে তাদেরই অবনমিত বলে ধরে নেওয়া হবে। অর্থাৎ এই মরসুমে ১৩ দলের আইএসএল হলেও আগামী মরসুম থেকে দলসংখ্যা বেড়ে পুণরায় ১৪ হয়ে যাচ্ছে।ফেডারেশন ইমেলে লিখেছেন,   ‘অংশগ্রহণকারী দলের সংখ্যা কমে যাওয়ার কারণ একটি ক্লাব ফি দিতে ব্যর্থ হয়েছে। আসন্ন আইএসএলে নিয়মের পরিবর্তন হচ্ছে না। ডায়মন্ড হারবার এফসি এফসি এই মরশুমের অংশগ্রহণের ফি দিতে পারেনি এবং প্রোমোশন পাওয়ার পরেও তাদের নির্ধারিত জায়গা নেয়নি।লিগ টেব্‌লে স্বাভাবিক ভাবেই ডায়মন্ড হারবার এফসিকে সবার নীচে রাখা হবে। আগামী মরশুমে ISL খেলার সুযোগ পাবে না ডায়মন্ড হারবার। পরের মরশুমে আবার IFL-এ খেলতে হবে তাদের।’