জোড়াফুল প্রতীক চিহ্ন কোন তৃণমূলের (TMC) হাতে থাকবে তা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া আর বোধহয় সময়ের অপেক্ষা মাত্র। রাজ্যের দুই বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচনের আগেই এই বিবাদের নিষ্পত্তি চাইছে মমতাপন্থী তৃণমূল কংগ্রেস এবং ঋতব্রতপন্থী বিদ্রোহী শিবির দুজনেই। জানা গিয়েছে নির্বাচন কমিশনের (ECI ) ফুল বেঞ্চের সঙ্গে আজই আলাদা আলাদা ভাবে দুই শিবিরের বৈঠক হবে। বৃহস্পতিবার বিকেল তিনটে নাগাদ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের সঙ্গে কথা বলার পর চারটের সময় মমতাপন্থী তৃণমূলের ৫ সদস্যের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে কথা বলবে কমিশন। হাইভোল্টেজ এই বৈঠকের দিকে নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের তৃণমূল কংগ্রেসের শোচনীয় পরাজয়ের পর থেকেই জোড়াফুল শিবির কার্যত বিভাগে বিভক্ত হয়ে গিয়েছে। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) নাম ও ছবি ব্যবহার করে ঘাসফুলের প্রতীকে নির্বাচনে জেতার পর বেশ কয়েকজন বিধায়ক আচমকাই দলের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করে সুপ্রিমোর নেতৃত্ব মানতে অস্বীকার করেন। বেইমান গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সড়ক হতে দেখা যায় মমতাপন্থী তৃণমূল বিধায়কদের। এরপরই জোড়াফুল প্রতীক কাদের হাতে থাকবে তা নিয়ে দ্বন্দ্ব চরমে ওঠে। বিষয়টি গড়ায় নির্বাচন কমিশন পর্যন্ত। ইতিমধ্যেই উপনির্বাচনে নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগর উভয় কেন্দ্রেই দুই শিবির আলাদাভাবে প্রার্থী ঘোষণা করেছে এবং দু'পক্ষেরই দাবি, তারা জোড়াফুল প্রতীক নিয়েই লড়বেন। মনোনয়ন জমা দেওয়া শেষ হয়েছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত প্রতীক নিয়ে চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়নি। ফলে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতীক কার হাতে থাকবে সেই অনিশ্চয়তার আবহেই আজকের বৈঠক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হতে চলেছে।
সূত্রের খবর, মমতাপন্থীদের তরফ থেকে আজ নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও'ব্রায়েন, লোকসভার সাংসদ ও আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, সাংসদ মহুয়া মৈত্র, সাগরিকা ঘোষ এবং একজন আইনজীবী। অপর শিবিরের তরফ থেকে থাকবেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, আখরুজ্জামান, অরূপ রায়, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এবং আইনজীবী। দু পক্ষই বুধবারের মধ্যে আইনি নথি জমা দিয়েছে। দুই শিবিরের বক্তব্য শোনার পর আজ কমিশন কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে কিনা এখন সেটাই দেখার। মান
















