রাজ্যের দুই বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা হতেই জোরাল হয়েছে প্রতীকের লড়াই। নন্দীগ্রাম (Nandigram) ও রেজিনগরে (Rejinagar) আগামী ৬ অক্টোবর ভোট। কিন্তু তার আগেই জোড়াফুল প্রতীক নিয়ে তৈরি হয়েছে বড় প্রশ্ন। ঋতব্রত শিবির, নাকি মমতাপন্থী তৃণমূল, কার হাতে থাকবে ঘাসফুল প্রতীক?

এই ধোঁয়াশার মধ্যেই বুধবার নিজেদেরকে খানিকটা ব্যাকফুটেই সরিয়ে আনল ঋতব্রত শিবির। সূত্রের খবর, জোড়াফুল প্রতীক না মিললে নির্দল প্রার্থী হিসেবেই উপনির্বাচনে লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছে ঋতব্রত-শিবির। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, প্রতীক না পেলে নির্দল হওয়ার ঘোষণা আসলে নিজেদের রাজনৈতিক শক্তির দুর্বলতার পরিচয়। এরই মধ্যে বৃহস্পতিবার গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসতে চলেছেন ঋতব্রত-সন্দীপনরা। নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর কেন্দ্রে কাদের প্রার্থী করা হবে সেই নিয়েই হবে আলোচনা। সূত্রের খবর, আগামী ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে দুই প্রার্থীর মনোনয়ন জমা দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে তাঁদের।

জাতীয় নির্বাচন কমিশনের (Election Commission of India) ঘোষণা অনুযায়ী, ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে উপনির্বাচন। ফল ঘোষণা হবে ৯ অক্টোবর। বুধবার থেকেই শুরু হয়েছে মনোনয়ন জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ১৬ সেপ্টেম্বর। ফলে হাতে খুব বেশি সময় নেই। তার আগেই প্রার্থী বাছাই, প্রতীক নিয়ে অবস্থান এবং নির্বাচন প্রস্তুতি, তিনটি ক্ষেত্রেই দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হবে ঋতব্রত শিবিরকে। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন অবশ্য প্রতীক নিয়েই। জোড়াফুল না পেলে নির্দল হয়ে লড়ার যে কৌশল ঋতব্রত শিবির সামনে আনছে, তা শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে কতটা প্রভাব ফেলতে পারে, এখন সেটাই দেখার।