আগামী ১৫ ও ১৬ সেপ্টেম্বর আসানসোল ডিভিশনে (Asansol Division) রেললাইনের সিগন্যালিং ব্যবস্থা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হবে। আর সেই কারণেই ওই দু’দিন একাধিক ট্রেনের পরিষেবা নিয়ন্ত্রণ করবে পূর্ব রেল (Eastern Railway)। কোথাও ট্রেন পুরোপুরি বাতিল, কোথাও আবার যাত্রাপথ ছোট করা হয়েছে। কয়েকটি দূরপাল্লার ট্রেনও নির্ধারিত সময়ের তুলনায় দেরিতে ছাড়বে।

আরও পড়ুন: গণেশ পুজোর উদ্বোধনে সনাতনী ঐতিহ্যের গুরুত্ব বোঝালেন মুখ্যমন্ত্রী, একযোগে নিশানা বাম-তৃণমূলকে!

রেল সূত্রে খবর, আসানসোল ডিভিশনের মুগমা (Mugma)  এবং কালুবাথান (Kalubathan) স্টেশনের মধ্যবর্তী অংশে প্রায় সাত ঘণ্টা ধরে নন-ইন্টারলকিংয়ের কাজ চলবে। রক্ষণাবেক্ষণের এই কাজের প্রভাব পড়বে ওই রুটে চলাচলকারী বেশ কয়েকটি ট্রেনে।

এর জেরে ১৫ ও ১৬ সেপ্টেম্বর দু’দিনই আসানসোল-গয়া-আসানসোল এক্সপ্রেস এবং আসানসোল-বরকাকানা-আসানসোল MEMU বাতিল করা হয়েছে। ফলে এই ট্রেনগুলির উপর নির্ভরশীল যাত্রীদের বিকল্প যাতায়াতের ব্যবস্থা করে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: বিভুরঞ্জন থেকে পুলক চট্টোপাধ্যায়ের রহস্যমৃত্যু: কাকতালীয়, নাকি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মুক্ত কণ্ঠরোধ!

অন্যদিকে, পুরো রুটে চলবে না বর্ধমান-হাটিয়া-বর্ধমান এক্সপ্রেস। ১৫ এবং ১৬ সেপ্টেম্বর ট্রেনটি বর্ধমান থেকে আসানসোল পর্যন্ত যাবে। সেখানেই যাত্রা শেষ করে আবার আসানসোল থেকেই ফিরতি পথে বর্ধমানের উদ্দেশে রওনা হবে। অর্থাৎ ওই দু’দিন আসানসোলের পর হাটিয়া পর্যন্ত এই ট্রেনের পরিষেবা পাওয়া যাবে না।

শুধু লোকাল বা স্বল্পপাল্লার ট্রেন নয়, এই কাজের প্রভাব পড়ছে দূরপাল্লার পরিষেবাতেও। ১৫ সেপ্টেম্বর কয়েকটি ট্রেন নির্ধারিত সময়ের চেয়ে বেশ কিছুটা দেরিতে ছাড়বে। কলকাতা-অমৃতসর এক্সপ্রেস ৬০ মিনিট, কলকাতা-জম্মু তাওয়াই এক্সপ্রেস ৫০ মিনিট, দ্বারভাঙ্গা-চার্লাপল্লি এক্সপ্রেস ৯০ মিনিট এবং পাটনা-ধানবাদ ইন্টারসিটি এক্সপ্রেস ৭৫ মিনিট দেরিতে ছাড়ার কথা।

 

পরের দিন, অর্থাৎ ১৬ সেপ্টেম্বর কলকাতা-জম্মু তাওয়াই এক্সপ্রেস ৩০ মিনিট দেরিতে ছাড়বে। রেলের বক্তব্য, যাত্রী পরিষেবা যতটা সম্ভব স্বাভাবিক রেখেই সিগন্যালিং ও রক্ষণাবেক্ষণের কাজ শেষ করার জন্য এই নিয়ন্ত্রণগুলি করা হচ্ছে।