Site Logo

সিজার লিস্ট শূন্য! রাজনৈতিক প্রতিহিংসাতেই মমতার বাড়ির চত্বরে থাকা কার্যালয়ে CID তল্লাশি: ক্ষুব্ধ কল্যাণ-কুণাল-মদন

EBBS DESK·
সিজার লিস্ট শূন্য! রাজনৈতিক প্রতিহিংসাতেই মমতার বাড়ির চত্বরে থাকা কার্যালয়ে CID তল্লাশি: ক্ষুব্ধ কল্যাণ-কুণাল-মদন

তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) বাড়ির চত্বরে থাকা তৃণমূল পার্টি অফিসে CID-র তল্লাশিতে সিজার লিস্ট শূন্য। তদন্তকারীরা বেরনোর পরে জানালেন বাড়িতে থাকা প্রাক্তন সাংসদ তথা আইনজীবী শুভাশিস চক্রবর্তী (Subhashis Chakraborty)। রাজনৈতিক প্রতিহিংসাতেই এই তল্লাশি বলে অভিযোগ তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় (Kalyan Banerjee) থেকে শুরু করেন তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh), মদন মিত্রদের (Madan Mitra)। মমতার অনুপস্থিতিতে তাঁর বাড়ির চত্বরে ঢুকে পুলিশের তল্লাশি বাংলার রাজনীতিতে কুৎসিত নিদর্শন- তীব্র আক্রমণ কুণালের।

Sponsored

Sranchi In Article

বিধানসভায় সই জাল-কাণ্ডের তদন্তে নেমেছে সিআইডি (CID)। মঙ্গলবার দুপুরে ৩টে ১৫ মিনিট নাগাদ ৩০ বি হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিট তৃণমূল সুপ্রিমোর বাড়ির সংলগ্ন দলীয় কার্যালয়ের সামনে হাজির হয় সিআইডি টিম। তৃণমূলের মূল কার্যালয়ে তল্লাশি চালাতে ঢুকতে চান তদন্তকারী আধিকারিকরা। মহিলা আধিকারিকরা ঘিরে ফেলেন কার্যালয়ের গেট। কিন্তু নিজেকে কেয়ারটেকার বলে দাবি করা শুভাশিস চক্রবর্তী জানান, মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় (Mamata Banerjee) ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দিল্লি থাকায় তিনি তল্লাশির অনুমতি দিতে পারবেন না। এই নিয়ে বেশ কিছুক্ষণ দুপক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি চলে। শুভাশিস বলেন, “আমি আইনজীবী, আপনারা আমাকে জানিয়ে আসেননি। যাঁদের চিঠির ভিত্তিতে এসেছেন তাঁরা এই মুহূর্তে নেই। ওনারা ফিরুন। আপনি ২ দিন পর আসুন।” পাল্টা সিআইডি আধিকারিকরা বলেন, “আপনি কাজে বাধা দিচ্ছেন, এর পরিণতি আপনার জানার কথা।” শুভাশিস পাল্টা বলেন, “আমি বাধা দিচ্ছি না। আপনারা দুদিন অপেক্ষা করুন। অভিষেক ফিরে এলে আপনাদের সহযোগিতা করব। আমার যা বলার বললাম। আপনারা কী করবেন, আপনাদের ব্যাপার।” এরপর ভিতরে চলে যান তিনি। কলকাতা পুলিশের বিশাল টিম ও কেন্দ্রীয় বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। দীর্ঘ টালবাহানার পরে বিকেল ৪টের পরে ভিতরে ঢোকেন সিআইডি-র আধিকারিকরা।

Sponsored

Merlin In Article

সেই সময় ঘটনাস্থলে পৌঁছন কুণাল ঘোষ। কিন্তু তাঁকে ভিতরে ঢুকতে বাধা দেয় সিআইডি। পৌঁছন মদল মিত্রও। বাইরেই বসে পড়েন তাঁরা। ভিতরে ঢোকেন সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখান থেকেই সিআইডি-কে তীব্র আক্রমণ করেন তিনি। বলেন, "মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিস সার্চ করতে এসেছিলেন ওনারা। মমতাদি দিল্লিতে জেনেই বাড়িতে আসে। তাদের সঙ্গে ২ জন সিভিক লোক এসেছেন। এরা বিজেপির লোক। সাক্ষী হিসেবে নিয়ে এসেছে। তারা স্থানীয় নয়।" প্রতিহিংসার রাজনীতি বলে অভিযোগ করে কল্যাণ বলেন, "ওরা নরেন্দ্র মোদিকে সাপোর্ট করছে। মমতার ভাবমূর্তি নষ্ট করতে এই কাজ করেছে। দিনের পর দিন হিংসাত্মক হয়ে উঠছে। প্রতিহিংসাপরায়ণ আচরণ করছেন। যেভাবে মমতাকে অপদস্থ করা হচ্ছে ভারতে কোথাও হয়নি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখানে কোথাও নেই। না তাঁর নামে এফআইআর হয়েছে। শুভেন্দু অধিকারীর জন্য কয়েক হাজার মানুষ গ্রেফতার হয়েছে।"
আরও খবর: সময়সীমা শেষের আগেই সিআইডিকে চিঠি অভিষেকের, কী লিখলেন তৃণমূল সাংসদ

Sponsored

Shyam Sundar In Article

শেষে এদিন সওয়া ৬ টা নাগাদ সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হন তৃণমূলের কোষাধ্যক্ষ তথা রাজ্যসভার প্রাক্তন সাংসদ শুভাশিষ চক্রবর্তী। তিনি জানান, কিছুই বাজেয়াপ্ত করা হয়নি। কুণাল ঘোষ বলেন, “আজ সিআইডির টিম প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বাড়িতে আসে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে তদন্তে নয়, অভিষেকের কোনও তদন্তে। মমতা-অভিষেক দিল্লিতে ইন্ডিয়া-র বৈঠকে আছেন। এটা সারা পৃথিবী জানে। কেন তাঁদের অনুপস্থিতিতে এলো সিআইডি- প্রশ্ন তোলেন কুণাল। তাঁর কথায়, আর কয়েকদিন সময় চাওয়া দেওয়া গেল না! যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রতিদিন এখানে বসেন, সেখানে কেন তাঁর অনুপস্থিতির দিনটাকে বেছে নেওয়া হল? এটা কি রাষ্ট্রীয় শক্তিতে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বাড়িতে পুলিশ ঢোকানো হল দেখাতে। তাহলে সিজার সিস্ট শূন্য কেন! এটা বাংলার রাজনীতিতে কুৎসিত নিদর্শন। এটা যে কত বড় প্রহসন ও প্রতিহিংসা সেটা এই ঘটনায় প্রমাণিত।“

Sponsored

Camelia In Article

-

Sponsored

Techno India In Article

-

Sponsored

Probe In Article

-

-

-

 

Related Articles

More from শিরোনাম

View All →