মোদি-শাহ’র বিজেপির জিনেই রয়েছে স্বৈরাচারিতা। মমতা বন্দ্যোপাধায়ের সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসকে প্রতি পদক্ষেপে ভয়। রাজনৈতিকভাবে লড়াই করার সাহস না থাকায় পিছনের দরজা দিয়ে অনৈতিক কাজ করে চলেছে সরকারের পর সংসদীয় কমিটিও। অন্যায়ভাবে সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যান পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল তৃণমূল কংগ্রেসের লোকসভার সাংসদ কীর্তি আজাদ এবং রাজ্যসভার সাংসদ দোলা সেনকে। ক্ষুব্ধ তৃণমূল কংগ্রেস লোকসভার স্পিকার এবং রাজ্যসভার চেয়ারম্যানকে চিঠি লিখে বলেছেন, এটা অনৈতিক ও বেআইনি। সংসদ এখন গভীর অন্ধকারের কারখানা হয়ে দাঁড়িয়েছে। লোকসভায় তৃণমূল দলনেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও স্পিকার ওম বিড়লাকে চিঠি দিয়েছেন।
আরও পড়ুন: রাজ্যসভার স্থায়ী কমিটিতে ব্রাত্য তৃণমূল! বঞ্চনার অভিযোগে চেয়ারম্যানকে কড়া চিঠি ডেরেকের
চিঠিতে অফিসেক লিখেছেন, যাকে সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যান পদ নতুন করে দেওয়া হয়েছে, সে এবং তার সঙ্গী কুড়ি সাংসদের সদস্যপদ বাতিলের মামলা আপনার কাছেই রয়েছে। গত ২৩ সেপ্টেম্বর আপনাকে লেখা চিঠিতেই বলেছিলাম, যেন কোনও কারণেই বেইমান সাংসদদের কোনও সংসদীয় পদ না দেওয়া হয়। সেই সঙ্গে জানিয়ে দিয়েছিলাম, যিনি চেয়ারপার্সন রয়েছেন, তাঁকেই যেন ওই পদে পুনরায় মনোনীত করা হয়। সংসদের ওয়েবসাইট এখনও পরিষ্কারভাবে বলছে, ২৮ তম লোকসভায় অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসের সদস্য এনসিপিআই-এর ওই সাংসদেরা। ইতিমধ্যে তাদের সদস্যপদ বাতিলের মামলা চলছে সুপ্রিম কোর্টে এবং আপনার কাছেও সেই চিঠি গিয়েছে। প্রশ্ন হল, এরা কোন দলের সাংসদ হিসেবে চেয়ারম্যান পদ পেল? যদি এআইটিসির তরফ থেকে দেওয়া হয় তা হলে পার্টির মনোনীত সাংসদকে বাদ দিয়ে অন্যকে নেওয়া হল কেন? যদি এনসিপিআই-এর পার্টি সাংসদ হিসেবে দেওয়া হয় তাহলে স্পিকার জানান, কোন নির্দেশিকায় এই দলটিকে স্পিকার বা সংসদ অনুমোদন দিয়েছেন? এনসিপিআই-এর সঙ্গে এনডিএ’র যোগাযোগ দিয়ে কখনই সংবিধানের দশম তফসিল আইন দিয়ে প্রমাণিত হয় না তারা জোটের সঙ্গী। যাদের সাংসদ পদের ভাগ্য ঝুলে রয়েছে, তাদের কীভাবে সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যান করা যায় তা জানান স্পিকার।
অন্যদিকে রাজ্যসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের দলনেতা চেয়ারম্যানকে লেখা চিঠিতে ডেরেক ও’ব্রায়েন বলেছেন, রাজ্যসভায় তৃণমূল কংগ্রেস তৃতীয় বৃহত্তম দল। তাহলে কেন তৃণমূলকে বঞ্চিত করা হল। ২০১৯ সালেও একই ঘটনা ঘটিয়েছিলেন রাজ্যসভার চেয়ারম্যান।















