Site Logo

বাঙালিয়ানায় শান! মায়াপুরে ‘জয় শ্রীরাম’ ছেড়ে ‘হরে কৃষ্ণ’ ধ্বনি শাহর, কটাক্ষ তৃণমূলের

EBBS Desk·
বাঙালিয়ানায় শান! মায়াপুরে ‘জয় শ্রীরাম’ ছেড়ে ‘হরে কৃষ্ণ’ ধ্বনি শাহর, কটাক্ষ তৃণমূলের

নজরে বাংলার বিধানসভা নির্বাচন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর (Amit Shah) মুখে তাই ‘জয় শ্রীরাম’ ছেড়ে ‘হরে কৃষ্ণ’। ভোটের আগে ধর্মের তাস খেলা গেরুয়া শিবিরের বরাবরের কৌশল। ছাব্বিশের নির্বাচনের আগেও এর ব্যতিক্রম হচ্ছে না। নির্বাচনের আগেই মায়াপুরের ইসকন মন্দিরে হাজির কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সেখানে বাঙালি আবেগে শান দিতে ‘হরে কৃষ্ণ’ ধ্বনি দেন তিনি। একে তীব্র কটাক্ষ করে তৃণমূল। দলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ বলেন, ইসকনের মন্দিরে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী দীর্ঘদিন যান। শাহ থেকে আমাদের কৃষ্ণপ্রেম শিখতে হবে না।

Sponsored

Sranchi In Article

বুধবার, শ্রীল ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী ঠাকুর মহারাজের ১২৫তম জন্ম উৎসব উপলক্ষে মায়াপুরে অনুষ্ঠানে যোগ দেন অমিত শাহ। পৌঁছে প্রথমে মন্দিরে পুজো দেন। মায়াপুরে গিয়ে নিজেকে শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর অনুগামী হিসেবে দেখানে চান অমিত শাহ। ‘জয় শ্রীরাম’-এর বদলে ‘হরে কৃষ্ণ’ ধ্বনি দিয়ে ভাষণ শুরু করে শাহ বলেন, ”আজ আমি এখানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসাবে নয়, বরং চৈতন্য মহাপ্রভুর ভক্ত হিসাবে এসেছি।” প্রধানমন্ত্রীর প্রসঙ্গ তুলে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ”মায়াপুরে আসার আগে সকালেই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা হয়েছে। মায়াপুর আসার কথা আমি তাঁকে জানিয়েছিলাম। উনি মন থেকে মায়াপুরের সকল ভক্তদের ‘হরে কৃষ্ণ’ অভিবাদন জানিয়েছেন।” আরও পড়ুন: ঢিল মারতেই এল পাটকেল! সায়ক-কাণ্ড টেনে অনন্যাকে বিঁধলেন রাহুল

সুকৌশলে বাঙালিয়ানায় শান দিতে শাহ বলেন, ”ভক্তি আন্দোলনের সূচনা করেছিলেন চৈতন্যদেব। আর সেই আন্দোলন গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে দিয়েছিলেন।”

শাহর এই বক্তব্য নিয়ে তাঁকে নিশানা করে তৃণমূল। বিজেপির রথযাত্রাকে কটাক্ষ করে দলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক বলেন, রথযাত্রা নয় ওটা বিজেপি শেষ যাত্রা। আক্রমণ করে কুণাল বলেন, এখন ভোট এসেছে, তাই অমিত শাহজি বোধহয় জানতে পারলেন মায়াপুরে ইসকনের মন্দির আছে। এর আগে তো কখনও তাঁদের যেতে দেখিনি। ভোটের আগে তারা নিজেদের মতো করে একটি ন্যারেটিভ তৈরি করার চেষ্টা করছেন। বাংলায় এসব চলবে না। আমরা ইসকনকে শ্রদ্ধা করি। মুখ্যমন্ত্রীও তাঁদের শ্রদ্ধা করেন। এর সঙ্গে ভোটের কোনও সম্পর্ক নেই। প্রতি বছর ইসকনের তরফে রথযাত্রায় মুখ্যমন্ত্রীকে আমন্ত্রন জানানো হয়। তিনি রথের রশি টানেন। ওরা জানে না মায়াপুরে ইসকনের যে নতুন মন্দিরটি তৈরি হচ্ছে তার জমি নিয়ে একটা সমস্যা তৈরি হয়েছিল, মুখ্যমন্ত্রীই তার সমাধান করে দিয়েছেন। দিঘার জগন্নাথ মন্দিরের পরিচালনার মুখ্যমন্ত্রীই ইসকনকে যুক্ত করেছে। আর উনি এখন ইসকন নিয়ে বলছেন।

কুণাল আরও বলেন, আমাদের প্রশ্ন, ইসকনের এক সন্ন্যাসী চিন্ময়ানন্দ বাংলাদেশে জেলবন্দি হয়ে কাটাচ্ছেন, তাঁকে মুক্ত করার জন্য কেন্দ্রীয় সরকার কী পদক্ষেপ করেছে? ওটা তো অন্য দেশ, ফলে এক্ষেত্রে তো আর আমাদের কিছু করার নেই। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকার কেন কোনও উদ্যোগ নিচ্ছে না, প্রশ্ন তোলেন কুণাল। আসলে ওদের ইসকনের প্রতি ও তাঁদের দর্শনের প্রতি কোনও ভক্তি বা শ্রদ্ধা নেই। অনেক বছর আগে স্বামী বিবেকানন্দ গোটা বিশ্বে হিন্দুত্বের বার্তা ছড়িয়ে দিয়েছিলেন। আমরা শ্রীরামকৃষ্ণ, শ্রীচৈতন্য দেবের ভাবধারা জানি। এটা আমাদের বিজেপির থেকে শিখতে হবে না।

-

-

-

-

-

Sponsored

Merlin In Article

Sponsored

Shyam Sundar In Article

Sponsored

Camelia In Article

Sponsored

Techno India In Article

Sponsored

Probe In Article

Related Articles

More from শিরোনাম

View All →