Site Logo

যুবসাথী ফর্ম ফিলাপ শুরুর আগেই 'চাকরি' দাবি শুভেন্দুর: ভয় পেয়েছেন, কটাক্ষ তৃণমূলের

EBBS Desk·
যুবসাথী ফর্ম ফিলাপ শুরুর আগেই 'চাকরি' দাবি শুভেন্দুর: ভয় পেয়েছেন, কটাক্ষ তৃণমূলের

জনকল্যাণমুখী প্রকল্প বাংলার প্রশাসন যেভাবে মানুষের দরজা পর্যন্ত পৌঁছে দিয়েছে, তাতে বিরোধীদের পায়ের তলার মাটি সরে গিয়েছে। বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যের বেকার যুবকদের (unemployed youth) জন্য় যে প্রকল্পের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী করেছেন, তার পাল্টা কোনও উন্নয়নের কথার দাবি করতে পারছে না বিজেপি। এবার বাংলায় কর্মসংস্থান দেওয়ার দাবি নিয়ে ময়দানে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikary)। যে বিজেপির কেন্দ্রের সরকার ১২ বছর ধরে কেন্দ্রে চাকরি দিতে ব্যর্থ, সেই বিজেপির নেতার বাংলায় যখন চাকরির প্রতিশ্রুতি দেন, তখন তা ভয় থেকেই, দাবি বাংলার শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের।

Sponsored

Sranchi In Article

অন্তর্বর্তী বাজেট প্রকাশের পরই নির্বাচনী ইস্তাহারে (manifesto) কী লেখা হবে, তা নিয়ে অথৈ জলে পড়ে বঙ্গ বিজেপি। চলতি বাজেটে যুবসাথী (Jubo Sathi) প্রকল্প যুক্ত হওয়ার পরে নতুন খড় কুটো আঁকড়ে ধরতে মরিয়া বিরোধী দলনেতা। শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikary) দাবি করেন, পরিযায়ী শ্রমিক এরাজ্যে কত তৈরি হয়েছে করোনা সময়ে দেখা গিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী তাই এবারের অন্তর্বর্তী বাজেটকে নির্বাচনী লিফলেটে পরিণত করেছেন। মহিলাদের নিরাপত্তা নেই এরাজ্যে। অর্থনীতির কোনও নিয়ম মেনে না এই সরকার।

স্পষ্টতই বাজেটে যেভাবে নারী উন্নয়ন থেকে শিক্ষা-শিল্পে স্বনির্ভরতার পথ দেখানো হয়েছে তাতেই দিশাহারা বিজেপি, শুভেন্দুর দাবিতেই পরিষ্কার। এই পরিস্থিতিতেই যুব সম্প্রদায়ের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢোকার ঘোষণা করে দিয়েছেন মুখ্য়মন্ত্রী। তড়িঘড়ি তাই বাংলায় চাকরির দাবি নিয়েই যুব সম্প্রদায়ের মন জয়ের চেষ্টায় বিজেপি। শুভেন্দু আবেদন জানান, কেন অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে আবেদন গ্রহণ করছেন না রাজ্য সরকার? কেন রাস্তায় নামতে হচ্ছে লক্ষ লক্ষ যুবকদের। বাংলার বেকার যুবকদের বলবো দলে দলে যান ফর্ম ফিলাপ করতে। এবং সেখানে বিজেপি যুব মোর্চার যে পোস্ট কার্ড - চাকরি চায় বাংলা - সেটাও ফিলাপ করে দিয়ে আসবেন।

আদতে বাংলার শাসকদলের সঙ্গে এঁটে উঠতে না পেরে যে কুৎসার রাজনীতি শুরু করেছেন বঙ্গ বিজেপির নেতারা, তা স্পষ্ট করে তৃণমূল রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ দাবি করেন, একদিকে যেমন মুখ্যমন্ত্রী বড় শিল্প, মাঝারি শিল্প, ভারী শিল্প, তথ্যপ্রযুক্তি শিল্প, মেধা ভিত্তিক শিল্প, হস্ত-কুটির শিল্প, পর্যটন শিল্পের যেমন প্রসার ঘটাচ্ছেন। তেমনই বহু মানুষ চাকরি পাচ্ছেন। আবার তাদের মধ্যে যাঁদের একটু অপেক্ষা করতে হচ্ছে তাঁদের জন্য এই যুব সাথী। তাতে ভয় পেয়ে গেছে বিজেপি। শুভেন্দু অধিকারী ভয় পেয়ে গিয়েছেন। তাই কুৎসা করতে নেমেছেন।

বিজেপির চাকরির দাবি যে নিছকই বাংলায় রাজনীতি করার জন্য, তাও স্পষ্ট করে দেন কুণাল। প্রশ্ন তোলেন, শুভেন্দু অধিকারী কোন বিজেপি? ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার আগে বিজেপি নেতারা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন বছরে ২ কোটি চাকরির। এখন ১২ বছর হয়েছে। ২৪ কোটি চাকরি হওয়ার কথা। উল্টে শিল্পের মন্দা ও কেন্দ্রীয় সরকারের জন্য সারাদেশে বিপুল কর্ম সংকোচন হয়েছে। সারা ভারতে বেকারত্বের হার বাড়ছে। আর বাংলায় সেই হার জাতীয় গড়ের থেকে কী করে উলটপুরাণ করা যায়, তার চেষ্টা করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আগে শুভেন্দু অধিকারী জবাব দিন, কেন্দ্রের প্রতিশ্রুতি মতো ২৪ কোটি চাকরি কোথায় গেল। আর নতুন করে কী করে ভারতে কয়েক কোটি বেকার তৈরি হল।

আরও পড়ুন : আজ নবান্নে মুখ্যসচিব-জেলাশাসক বিশেষ বৈঠক, যুবসাথী নিয়ে আলোচনার সম্ভাবনা

আদতে বিজেপির চাকরির প্রতিশ্রুতি যে বাংলার মানুষের কানে পৌঁছাবে না তা স্পষ্ট করে কুণাল ঘোষ দাবি করেন, শুভেন্দুর সম্পূর্ণ কুৎসামূলক কথা। এই বিজেপি বছরে ২ কোটি চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল নির্বাচনী ইস্তাহারে (election manifesto)। তফাৎটা হচ্ছে বিজেপি যা প্রতিশ্রুতি দেয় তা পালন করে না। আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যা প্রতিশ্রুতি দেন তা পালন করেন। তিনি যখন কোনও প্রতিশ্রুতি দেন, তখন মানুষ জানেন সেই প্রকল্পের সম্পূর্ণ উপকার তিনি পাবেন। কিন্তু বিজেপির একের পর এক মিথ্যা প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হয় না।

-

-

-

Sponsored

Merlin In Article

Sponsored

Shyam Sundar In Article

Sponsored

Camelia In Article

Sponsored

Techno India In Article

Sponsored

Probe In Article

Related Articles

More from শিরোনাম

View All →