দিল্লি পুলিশের (Delhi Police) বিরুদ্ধে এবার সরাসরি রাষ্ট্রপতির দ্বারস্থ হলেন সিপিএমের (CPM) রাজ্যসভার সাংসদ জন ব্রিটাস (John Brittas)। রবিবার রাজধানীর কনট প্লেস থেকে তাঁকে জোর করে আটক করা, পুলিশের গাড়িতে হেনস্থা এবং মারধরের অভিযোগ তুলেছেন তিনি। এই ঘটনাকে শুধু ব্যক্তিগত হেনস্থা হিসেবে দেখতে নারাজ ব্রিটাস। তাঁর বক্তব্য, একজন নির্বাচিত সাংসদের সঙ্গে এমন আচরণ আসলে সংসদীয় মর্যাদা এবং গণতান্ত্রিক অধিকারের উপর আঘাত।

আরও পড়ুন: IND vs WI T20: এগিয়ে থেকেও আত্মতুষ্টি নয়, ওপেনিং নিয়ে উষ্মাপ্রকাশ শ্রেয়সের

অভিযোগের বিস্তারিত জানিয়ে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী (Draupadi Murmu) মুর্মুকে চিঠি লিখেছেন তিনি। সেই চিঠির প্রতিলিপি পাঠানো হয়েছে উপরাষ্ট্রপতি তথা রাজ্যসভার চেয়ারম্যান এবং সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতিকেও। অভিযুক্ত পুলিশকর্মীদের বিরুদ্ধে দ্রুত পদক্ষেপ করার পাশাপাশি গোটা ঘটনার জন্য প্রশাসনের জবাবদিহি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন সিপিএম সাংসদ।

আরও পড়ুন: ক্যামাক স্ট্রিট বিলবোর্ড কাণ্ডে হাজিরা দিতে সময় চাইলেন অভিষেক

ব্রিটাসের দাবি, তাঁকে আটক করার সময় পুলিশ জোর করে গাড়িতে তোলে। সেখানে ধাক্কাধাক্কির জেরে তিনি পড়েও যান। পরে এক পদস্থ পুলিশ আধিকারিকের ফোন আসে তাঁর মোবাইলে। ওই আধিকারিকের নির্দেশে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হলেও, অভিযোগ, একটি নির্জন জায়গায় গাড়ি থেকে ধাক্কা দিয়ে নামিয়ে দেওয়া হয় তাঁকে। ঘটনার সময় নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন ব্রিটাস। তাঁর বক্তব্য, শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ এবং সাংবিধানিক অধিকার রক্ষার প্রশ্নে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এই ঘটনা ঘটে। ফলে বিষয়টি আরও উদ্বেগজনক। রাষ্ট্রপতিকে লেখা চিঠিতে তিনি একজন সাংসদ হিসেবে প্রাপ্য বিশেষ অধিকার ও সংসদীয় বিধির কথা উল্লেখ করে সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি জানিয়েছেন।

সমাজমাধ্যমেও এই ঘটনায় সরব হয়েছেন ব্রিটাস। তাঁর বক্তব্য, বিরোধী মতকে দমন করতে বলপ্রয়োগ গণতন্ত্রের পথ হতে পারে না। ক্ষমতায় থাকা ব্যক্তিদের অপছন্দের কথা বললেই নাগরিকদের সাংবিধানিক অধিকার কেড়ে নেওয়া যায় না।