শনিবার আন্দোলন শুরুর আগেই ককরোচ জনতা পার্টির শীর্ষ নেতৃত্বদের আটক করে পুলিশ। তার পরেও আন্দোলন থামানো যায়নি। শনিবার দিনভর রাজধানীর রাজপথে আন্দোলন করেছে দেশের ছাত্র যুবরা। এই পরিস্থিতিতে আন্দোলনের সমাপ্তি হচ্ছে না। আজও(রবিবার) পথে নামছে সিজেপি এবং দেশের বাম ছাত্র যুব সংগঠনগুলি। সিজেপির শীর্ষ নেতা অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস আশুতোষ রাঙ্কাকে আটক পুলিশ। এই পরিস্থিতিতে সিজেপিকে নেতৃত্ব দিচ্ছে অজিঙ্ক শিল্ডে। তিনি সিজেপির অর্গানাইজেশন ইনচার্জ। যতক্ষণ না দীপকেসহ অন্যান্য শীর্ষ নেতৃত্বরা ছাড়া পাচ্ছেন ততক্ষণ তিনি আন্দোলনকে নেতৃত্ব দেবেন।
আজ তার নেতৃত্বেই ফের পথে নামছে সিজেপি। শনিবার সন্ধ্যার পর যৌথ সাংবাদিক সম্মেলন করে সিজেপি এবং বাম দলগুলি জানিয়ে দিয়েছে, যতক্ষণ না জ্ঞানেশ কুমার ইস্তফা দিচ্ছেন ততক্ষণ আন্দোলন চলবে। আজ তারা ফের যন্ত্রর মন্তরের দিকে এগোবেন।
শিল্ডে জানিয়েছেন, সরকার ভাবছে এদের আটক করলে আন্দোলন আজই শেষ হয়ে যাবে। কিন্তু এটা আন্দোলনের শুরু। এই আন্দোলন ততক্ষণ চলবে যতক্ষণ না জ্ঞানেশ কুমার ইস্তফা দিচ্ছেন ।আর যত লোককে আটক করা হোক না কেন রবিবার আমরা ফের আসব ফের যন্তর মন্তরের দিকে যাবো। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার পদত্যাগ না করা পর্যন্ত তাদের আন্দোলন জারি থাকবে বলে জানিয়েছেন। এমনকি তিনি আত্মবিশ্বাসী জ্ঞানেশ কুমার পদত্যাগ করতে বাধ্য হবেন।
এর আগে কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান তাদের আন্দোলনের জেরেই পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন।ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর বাতিল এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে শনিবার যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের পরিকল্পনা করেছিল সিজেপি। এই কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার কথা ছিল দলের নেতা অভিজিৎ দীপকের। কিন্তু দিল্লিতে পৌঁছনোর পরেই সিজেপির তিন নেতা দিপকে, রাঙ্কা এবং সৌরভকে প্লেনের ভিতর থেকেই আটক করে পুলিশ। প্রথমে তাঁদের কোথায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে জানা না গেলেও পরে জানা যায় অভিজিৎ দিপকে কে গুরুগ্রামে, রাঙ্কাকে দ্বারকায় এবং সৌরভকে দিল্লিতে আটক করে রাখা হয়েছে।














