৭ দিনের সময়সীমা শেষে। নিজেদের অবস্থান জানাতে আরও সময় চাইছেল তৃণমূলত্যাগী ২০ জন সাংসদ। স্পিকারের দফতরকে ২৫ অগাস্টই সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দেয় ওই ২০ দলবদলু সাংসদকে নিয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হবে। শীর্ষ আদালতের নির্দেশের পরেই ২০ সাংসদকে নোটিশ পাঠায় স্পিকারের দফতর৷ জবাব দিতে আরও কিছুটা সময় চাইছেন কাকলিরা। স্পিকারের কাছে আরও প্রায় ৩ সপ্তাহ সময় চেয়েছেন তাঁরা। এই নিয়ে তীব্র কটাক্ষ করেন তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। এঁদের নিজের নাম জিজ্ঞাসা করলেও দুদিন সময় চাইছেন।
তৃণমূলের প্রতীকে লোকসভা নির্বাচনে জিতলেও, পালবাদলের পর দল ছাড়েন ২০ জন সাংসদ। NCPI বলে এক অখ্যাত দলে যোগ দেন তাঁরা। কিন্তু সেই দলের সাংসদদের স্বীকৃতি দেননি লোকসভা স্পিকার। সংসদের বাদল অধিবেশনের পরে স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে দেখা করেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সুদীপ-কাকলিদের এই পদক্ষেপকে চ্যালেঞ্জ করে চিঠি দেন তিনি। ২০ জনে সাংসদপদ খারিজের আবেদন করেন। বাদল অধিবেশন কেটে গেলেও, দলত্যাগ বিরোধী আইনে ওই ২০ জন সাংসদের বিরুদ্ধে স্পিকার কোনও পদক্ষেপ না করায় সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন অভিষেক। সেই মামলায় এনসিপিআই-র ২০ জন সাংসদের বিরুদ্ধে নোটিশ জারি করে সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালতের চাপে স্পিকারও ওই ২০ সাংসদকে নোটিশ পাঠান। উত্তর দেওয়ার জন্য ৭ দিন সময় দেওয়া হয়েছিল৷
মঙ্গলবার, সময়সীমা শেষ হয়ে গেলেও জবাব দিতে চাইছেন না ২০ সাংসদ। তাঁদের আরও সময় চাই। সূত্রের খবর, এ নিয়ে আইনজীবীদের সঙ্গে আলোচনা করছেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদাররা। স্পিকারের কাছে আরও প্রায় ৩ সপ্তাহ সময় চেয়েছেন তাঁরা। সুদীপ জানিয়েছেন, “লোকসভার সচিবালয়ের কাছে চিঠি লিখে আমরা ২০ জন সাংসদ ৩ সপ্তাহ সময় চেয়েছি।”
বিষয়টি নিয়ে তীব্র কটাক্ষ করে কুণাল ঘোষ। তাঁর কথায়, এর একটা অংশ বিচারাধীন। সেটা দেখছেন দলের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। এটা ভোটারদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাকতা। এই দলবদলুদের রাজনৈতিক জীবন অন্ধকার। এই বিশ্বাসঘাতকদের সাধারণ মানুষ বিশ্বাস করে না।
















