প্রধানমন্ত্রীর (Prime Minister) সঙ্গে সাক্ষাতের এক সপ্তাহের মধ্যেই মিটল দীর্ঘদিনের জমি-বিবাদ। নিজের জমি ফিরে পেলেন মোদির ছোটবেলার বন্ধু আসগর আলি বোহরা (Childhood Friend Asgar Ali Bohra)। মঙ্গলবার মহারাষ্ট্রের মন্ত্রালয়ে হওয়া বৈঠকে বিতর্কিত জমি ছেড়ে দেওয়ার কথা লিখিত ভাবে জানালেন বিজেপি বিধায়ক মেহতা (BJP MLA Mehta)। একই সঙ্গে বোহরার বিরুদ্ধে করা অভিযোগও প্রত্যাহার করে নেওয়ার কথা জানান তিনি। ফলে বুধবার আদালতে মামলার শুনানি হওয়ার কথা থাকলেও তার আগেই কার্যত সমঝোতার পথে হাঁটল দুই পক্ষ।
জমি নিয়ে জট কাটাতে এ দিন মন্ত্রালয়ে বৈঠকে বসেন প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকরা। উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রীর প্রধান সচিব শ্রীকর পরদেশী (Chief Minister's Principal Secretary Srikar Pardeshi), বোহরা, বিধায়ক মেহতা এবং মীরা-ভাইন্দর পুরনিগমের কমিশনার বিনোদ শর্মা ও শহর পরিকল্পক পুরুষোত্তম শিন্দে। বৈঠকেই নগরোন্নয়ন দফতরের কাছে চিঠি দিয়ে বিতর্কিত জমি ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত জানান মেহতা। পরে পুলিশ কমিশনারকেও চিঠি দিয়ে বোহরার বিরুদ্ধে তাঁর অভিযোগ প্রত্যাহারের কথা জানানো হয়। মেহতার দাবি, ২০১৯ সালে মার্ভিন ফার্নান্ডেজ (Marvin Fernandez) নামে এক ব্যক্তির কাছ থেকে তিনি জমিটি কিনেছিলেন।
প্রায় ২৮১০ বর্গমিটারের ওই জমিকে ঘিরে বিরোধের সূত্রপাত প্রায় দেড় দশক আগে। বোহরার দাবি, ১৯৮৯ সালে সমস্ত আইনি প্রক্রিয়া মেনেই তিনি পূর্ব ভাইন্দর এলাকার জমিটি কিনেছিলেন। কিন্তু ২০১১ সালে সেটি জবরদখল করা হয় বলে অভিযোগ তাঁর। এ নিয়ে স্বয়ম বিল্ডার্স এবং সেভেন ইলেভেন কনস্ট্রাকশনসের (Seven Eleven Constructions) বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছিলেন তিনি। দ্বিতীয় সংস্থাটির মালিকানা বিজেপি বিধায়ক মেহতার হাতে বলে অভিযোগ ওঠে। দীর্ঘদিন ধরে বিষয়টি আদালতে চললেও সমাধান হয়নি।
শেষ পর্যন্ত গত ৮ সেপ্টেম্বর সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর দ্বারস্থ হন বোহরা। বন্ধু মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে প্রায় এক দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা জমি-বিবাদের কথা জানান তিনি এবং মামলায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার হস্তক্ষেপের আবেদন করেন। সেই সাক্ষাতের পরই প্রশাসনিক স্তরে তৎপরতা শুরু হয়।
















