উবার (Uber), র্যাপিডো (Rapido) বা ইনড্রাইভের (Indrive) মতো অ্যাপভিত্তিক সংস্থার সঙ্গে যুক্ত বাইক-ট্যাক্সি (Bike- Taxi) চালকদের জন্য বড় ঘোষণা। মহারাষ্ট্রে (Maharashtra) আর পেট্রোলচালিত বাইক দিয়ে বাইক-ট্যাক্সি পরিষেবা চালানো যাবে না। আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই ধাপে ধাপে সমস্ত বাইককে বৈদ্যুতিক (Electric Bike) গাড়িতে বদলে ফেলতে হবে। মহারাষ্ট্র পরিবহণ দফতরের তরফে ইতিমধ্যেই এই বিষয়ে নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। রাজ্যের আঞ্চলিক পরিবহণ দফতর এবং যেসব সংস্থা অস্থায়ী বাইক-ট্যাক্সি লাইসেন্স পেয়েছে বা সেই লাইসেন্সের জন্য আবেদন করেছে, তাদের এই পরিবর্তনের প্রক্রিয়া শুরু করতে বলা হয়েছে।
আরও পড়ুন: সংখ্যালঘুদের ভোটকেন্দ্রে যেতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ, কুণাল মুখ খুললেন পুনর্নির্বাচন নিয়েও
"মহারাষ্ট্র বাইক ট্যাক্সি বিধিমালা, ২০২৫"-এর আওতায় থাকা অ্যাগ্রিগেটরদের জন্য মোট নয় মাসের সময়সীমা রাখা হয়েছে। তবে একবারে পুরো পরিবর্তন নয়, ধাপে ধাপে বৈদ্যুতিক বাইকের সংখ্যা বাড়াতে হবে। প্রথম ছ’মাসের মধ্যেই মূল লক্ষ্যমাত্রা পূরণের চেষ্টা করতে হবে। প্রয়োজন হলে তার পর আরও তিন মাস সময় পাওয়া যাবে। সব মিলিয়ে নয় মাসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলির বহরে ১০০ শতাংশ বৈদ্যুতিক বাইক থাকা বাধ্যতামূলক।
সরকারের এই সিদ্ধান্তের প্রভাব সরাসরি পড়বে বাইক-ট্যাক্সি চালকদের উপরেও। তবে একসঙ্গে পুরনো বাইক বদলানোর চাপ যাতে না আসে, সেই কারণেই ধাপে ধাপে পরিবর্তনের জন্য সময় দেওয়া হয়েছে। অ্যাগ্রিগেটরদেরও একই সময়ের মধ্যে নিজেদের পরিষেবায় বৈদ্যুতিক বাইকের ব্যবহার বাড়াতে হবে।
বাইক-ট্যাক্সি নিয়ে অবশ্য সম্প্রতি অন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবও সামনে এসেছে। কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণমন্ত্রী নিতিন গড়করী রাজ্যগুলির কাছে আবেদন করেছেন, ব্যক্তিগত মালিকানাধীন বাইককেও যেন বাইক-ট্যাক্সি হিসেবে ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়। তাঁর বক্তব্য, এই পরিষেবা আরও বিস্তৃত হলে প্রায় ৮ কোটি মানুষের কর্মসংস্থান ও জীবিকার সুযোগ তৈরি হতে পারে।















