অক্টোবরের প্রথম দিনেই বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম বৃদ্ধি পাবার পর থেকেই আশঙ্কা ছিল দেশজুড়ে উৎসবের মরশুম শুরু হওয়ার আগেই মধ্যবিত্তের দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে পেট্রোল ও ডিজেলের দাম বাড়তে পারে। সেই ভাবনাই সত্যি হল। প্রতি লিটারে ৫ টাকা দাম বাড়ল পেট্রোলের, এর একশোর গণ্ডি পেরিয়ে ডিজেলের দাম ও লিটার প্রতি তিন টাকা করে বাড়ানোর ঘোষণা হয়েছে। যদিও এই দাম সব তেল সংস্থার ক্ষেত্রে কার্যকরী নয়।
জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি নিঃসন্দেহে আমজনতার কাছে বরাবরই চিন্তার কারণ। যতদিন যাচ্ছে ততই বাজারে জিনিসপত্রের দামের জেরে ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে মধ্যবিত্তের পকেট। এর মধ্যে আবার যদি গ্যাস রান্নার গ্যাস কিংবা পেট্রোল ডিজেলের মত জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি হয় সেক্ষেত্রে সমস্যা দ্বিগুণ হয়ে দাঁড়ায়। দীর্ঘ সময় ধরে পশ্চিম এশিয়ার উত্তেজনা পরিস্থিতির কারণে পেট্রোপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়নি। গত কয়েক মাসে একাধিকবার গ্যাসের দাম বাড়লেও পেট্রোল ও ডিজেলের দাম বৃদ্ধির খবর আসেনি। কিন্তু এবার দেশ জুড়ে উৎসবের মরশুম শুরুর আগেই দাম পেট্রোল-ডিজেলের দাম বৃদ্ধির ঘোষণা এল। নায়ারা এনার্জি সংস্থা তাদের পেট্রোল ও ডিজেলের দাম লিটার প্রতি পাঁচ টাকা ও তিন টাকা করে বাড়িয়েছে। যদিও ইন্ডিয়ান অয়েল, হিন্দুস্তান পেট্রোলিয়াম ও ভারত পেট্রোলিয়াম সংস্থা এখনও পর্যন্ত পেট্রোল-ডিজেলের দাম বৃদ্ধির কোনও ঘোষণা করেনি।
সেপ্টেম্বর মাস থেকে ক্রুড অয়েলের দাম আকাশছোঁয়া।ব্যারেল প্রতি দাম ১১৬.০৯ ডলারে পৌঁছেছে। তারপর থেকেই মনে করা হচ্ছিল যে কোনও মুহূর্তে পেট্রোল ও ডিজেলের দাম বাড়তে পারে। এর আগে চলতি বছরের মার্চ মাসেও নায়ারা এনার্জি সংস্থা তাদের পেট্রোল ও ডিজেলের দাম বাড়িয়েছিল।দেশজুড়ে ৭ হাজারেরও বেশি পেট্রোল পাম্প রয়েছে এই সংস্থার। এখন তাদের দেখাদেখি ইন্ডিয়ান অয়েল, হিন্দুস্তান পেট্রোলিয়াম ও ভারত পেট্রোলিয়ামও জ্বালানির দাম বৃদ্ধির ঘোষণা করে কিনা সেটাই দেখার।















