পঞ্জাবের লভলি প্রফেশনাল ইউনিভার্সিটিতে এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ এবং পরে তাঁর মৃত্যুর খবর ঘিরে রাতভর উত্তেজনা তুঙ্গে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া দাবির পর বিপুল সংখ্যক পড়ুয়া ক্যাম্পাসে বিক্ষোভে সামিল হন। পরিস্থিতি ক্রমে অশান্ত হয়ে ওঠে।
জানা গিয়েছে, ক্যাম্পাসে এক নির্মাণকর্মীর বিরুদ্ধে যৌন নিগ্রহের অভিযোগের পর ওই ছাত্রীকে বাড়ি পাঠানো হয়েছিল। পরে তাঁর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ে। যদিও পুলিশের কাছে কোনও অভিযোগ জমা পড়ার কথা জানানো হয়নি। কাপুরথালা পুলিশের SSP গৌরব তুরা জানিয়েছেন, ধর্ষণের কোনও ঘটনার তথ্য পুলিশের কাছে নেই। তাঁর কথায়, বিষয়টি নিয়ে পড়ুয়া ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি হয়ে থাকতে পারে এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তিনি বলেন, "গতকাল রাতে আমরা জানতে পারি যে শিক্ষার্থীরা জলন্ধর মহাসড়ক অবরোধ করেছে। আমরা সেখানে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনি। তখন জানতে পারি যে, শিক্ষার্থীরা এলপিইউ (LPU) কর্তৃপক্ষের কাছে কিছু বিষয় তুলে ধরেছিল এবং সেখানে ধর্ষণের ঘটনার গুজব ছড়িয়েছিল। তবে এ ধরনের কোনো অপরাধের বিষয়ে আমাদের কাছে কোনো তথ্য বা অভিযোগ আসেনি"।
এদিকে প্রতিবাদ ঘিরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে LPU ক্যাম্পাসে। পড়ুয়াদের একাংশের বিরুদ্ধে ভাঙচুর এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পত্তিতে আগুন লাগানোর অভিযোগ উঠেছে। পাশাপাশি জালন্ধর-ফগওয়ারা জাতীয় সড়ক অবরোধ করেন বিক্ষোভকারীরা। ফলে ব্যাপক যানজট তৈরি হয়। এর মধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ পড়ুয়াদের উদ্দেশে বার্তা দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়ানো দাবিগুলিকে ‘ভুয়ো ও বিভ্রান্তিকর’ বলে উল্লেখ করেছে। একইসঙ্গে পড়ুয়াদের শান্ত থাকার এবং কোনওরকম অশান্তিতে না জড়ানোর আবেদন জানানো হয়েছে। তবে ছাত্রীকে ধর্ষণ এবং তাঁর মৃত্যুর বিষয়ে এখনও পুলিশের তরফে কোনও নিশ্চিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।















