ধর্ষণ মামলায় সোমবার গোয়ার মাপুসা আদালতে আত্মসমর্পণ করলেন ‘তহেলকা’র প্রতিষ্ঠাতা ও প্রাক্তন সম্পাদক তরুণ তেজপাল ( Tarun Tejpal) । সুপ্রিম কোর্টের ( Supreme Court) নির্দেশ মেনেই এদিন আদালতে হাজির হন তিনি। আত্মসমর্পণের পর তাঁকে জেল হেফাজতে পাঠানো হয়েছে বলে সূত্রের খবর। ২০১৩ সালে গোয়ার (Goa) একটি পাঁচতারা হোটেলের লিফ্টে তাঁর এক তরুণী সহকর্মীকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে তেজপালের বিরুদ্ধে। ওই ঘটনার পর তাঁর বিরুদ্ধে ধর্ষণ, যৌন হেনস্থা এবং অনৈতিক কার্যকলাপ-সহ একাধিক ধারায় মামলা দায়ের হয়। গোয়ার অপরাধদমন শাখা ২০১৪ সালে প্রায় তিন হাজার পাতার চার্জশিট জমা দেয়।
আরও পড়ুন: জগদীশ ফিরতেই অগ্নিগর্ভ সিতাই, পুড়ল NCPI সাংসদের কার্যালয়
মামলাটি প্রথমে গোয়ার নিম্ন আদালতে চলছিল। ২০১৭ সালে তেজপালের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ( Rape) ও যৌন নির্যাতন-সহ অভিযোগে চার্জ গঠন করা হয়। পরে ২০১৯ সালে সুপ্রিম কোর্ট তাঁর বিরুদ্ধে চলা বিচারপ্রক্রিয়া বন্ধ করার আবেদন খারিজ করে ট্রায়াল চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেয়। সেই বিচার শেষে ২০২১ সালে গোয়ার সেশনস কোর্ট তাঁকে সমস্ত অভিযোগ থেকে বেকসুর খালাস করে। তবে নিম্ন আদালতের সেই রায়েই মামলার শেষ হয়নি। পরবর্তীতে বিষয়টি বম্বে হাই কোর্টে যায়। গত অগস্টে হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ সেশনস কোর্টের রায় খারিজ করে তেজপালকে ধর্ষণ মামলায় দোষী সাব্যস্ত করে। একই সঙ্গে তাঁকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের নির্দেশ দেওয়া হয়।
হাই কোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন তেজপাল। তবে শীর্ষ আদালত তাঁকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেয়। গত ২৫ অগস্ট সুপ্রিম কোর্ট জানায়, তিন সপ্তাহের মধ্যে তাঁকে সংশ্লিষ্ট আদালতে আত্মসমর্পণ করতে হবে। সেই সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই সোমবার মাপুসা আদালতে হাজির হন ‘তহেলকা’র প্রাক্তন সম্পাদক। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, ২১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আত্মসমর্পণ সংক্রান্ত নথি জমা দেওয়া শেষ হলে পরদিন, অর্থাৎ ২২ সেপ্টেম্বর তেজপালের আবেদন শুনবে শীর্ষ আদালত।
















